Preparation Academy Logo
+8801611-905232[email protected]
About Us
Privacy Policy
Quick Links
Admission
Job Preparation
Current Affairs
Circulars
Blogs

© 2026 — Copyright Preparation Academy BD. All rights reserved Powered By RiseTank .

Preparation Academy Logo
  • Preparation Academy Logo
    • Home
    • Admission
    • Job Preparation
    • Current Affairs
    • Circular
    • Blogs
    • Plans
  • Log In
বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি কৌশল

বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি কৌশল

বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক (সাধারণ) লিখিত পরীক্ষা সাধারণত ২০০ নম্বরের হয়ে থাকে। ফোকাস রাইটিং, অনুবাদ, রিডিং কমপ্রিহেনশন, বাংলা রচনা, গাণিতিক সমস্যা এবং অর্থনীতি-ব্যাংকিং সংক্রান্ত বিষয়াবলির ওপর প্রশ্ন আসে। চুড়ান্ত মেধাতালিকা তৈরিতে লিখিত ২০০ মার্ক ও ভাইভা ২৫ মার্ক মিলে তৈরি করা হয়। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে ও নিয়োগ পেতে লিখিত অংশে ভাল করার বিকল্প নেই। এ জন্য সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন এবং বিগত বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুতি নিলে সফলতা পাওয়া সম্ভব।


বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পরীক্ষার সিলেবাস বা মার্ক বণ্টন

বাংলাদেশ ব্যাংকের নবম গ্রেডভুক্ত সহকারী পরিচালক (সাধারণ) পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস বা মার্ক বণ্টন প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে দেয়া আছে। লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস ও নম্বর বণ্টন

ক্রমিক
বিষয়ের নাম
১ Focus writing in English (সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক/বাংলাদেশ প্রসঙ্গে)
২ বাংলায় ফোকাস রাইটিং (সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক/বাংলাদেশ প্রসঙ্গে)
৩ সাধারণ জ্ঞান
৪ Comprehension (English)
৫ গণিত (এসএসসি পর্যায়)
৬ অনুবাদ (ইংরেজি থেকে বাংলা)
৭ Argumental writing in English


বাংলাদেশ ব্যাংকের যেকোন পদের পরীক্ষার প্রস্তুতি জন্য আবেদনকারীদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে প্রকাশিত প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার জন্য সিলিবাস বা মানবন্টন অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে হবে। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের বিগত সালের প্রশ্ন গুলো অনুশীলন করতে হবে এবং প্রশ্ন বিশ্লেষন করে পড়তে হবে।


ফোকাস রাইটিং ও রচনা


বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারি পরিচালক পদে নিয়োগ পরীক্ষার লিখিত অংশে ২০০ মার্ক এর মধ্যে ফোকাস রাইটিং ও রচনা তে ৭০ মার্ক। মার্ক এর দিক থেকে এটি যেমন গুরুত্বপূর্ন তেমনই অনুশীলন করলে এই অংশে ভালো করা সহজ।

ফোকাস রাইটিং এ সাধারণত একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর প্রাসঙ্গিক তথ্য, উপাত্ত ও বিশ্লেষণ দিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে বা বিশেষ কাঠামো অনুসারে উপস্থাপন করা। এটি সাধারণ প্যারাগ্রাফের মতো বড় হয় এবং এখানে গোছানো ভাবে তথ্য উপাত্ত দিয়ে লিখতে হয়।


ফোকাস রাইটিং লেখার কার্যকর নিয়ম

  • নির্দিষ্ট কাঠামোর অনুসরণ করে লেখা: ফোকাস রাইটিং লেখার সময় কোনো ভাবেই নাম্বারিং বা পয়েন্ট দিলে লেখা যাবে না। পুরো লেখাটিকে ছোট ছোট অনুচ্ছেদে ভাগ করে লিখতে হবে।
  • তথ্য ও উপাত্ত ব্যবহার কৌশল: ফোকাস রাইটিং এ কোনো চার্ট বা গ্রাফ আঁকার প্রয়োজন নেই, গুরুত্বপূর্ণ বা দরকারি তথ্য সরাসরি বাক্যের মধ্যে লিখতে হবে।
  • অপ্রয়োজনীয় কথা বর্জন: মূল প্রসঙ্গে এসে সরাসরি যুক্তিনির্ভর আলোচনা করুন এবং ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরুন। নির্দিষ্ট সময়ে ২০০ মার্ক এর উত্তর করার জন্য গুরুত্বপূর্ন লেখা দরকার যা ইতিবাচক ইম্পেশন তৈরি করে ও বেশি মার্ক পেতে সাহায্য করে।


ফোকাস রাইটিং এ সাধারনত সমসাময়িক অর্থনীতি, প্রযুক্তি, বৈশ্বিক রাজনীতি, এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের সম্পর্ক নিয়ে চলমান গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে প্রশ্ন আসে। নিয়মিত পত্রিকার সম্পাদকীয় পড়লে লেখার ক্ষেত্রে তথ্য বিশ্লেষণাত্মক উপস্থাপন সহজ হয়।


অনুবাদ (বাংলা থেকে ইংরেজি এবং ইংরেজি থেকে বাংলা)


বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক লিখিত পরীক্ষার অনুবাদ এ ভালো করার জন্য ও বেশি মার্ক পেতে নিয়মিত অনুশীলন, শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করা এবং ভাবানুবাদ অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। বিগত বছরের প্রশ্ন সমাধান করতে ইংরেজি থেকে বাংলা এবং বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ নিয়মিত চর্চা করুন। এ জন্য জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকীয় পাতা থেকে অনুবাদ অভ্যাস করা উপকারী।


বাংলা ও ইংরেজি অনুবাদের বেশি নাম্বার পাওয়া নির্ভর করে দীর্ঘমেয়াদি অনুশীলনের ওপর। এ জন্য একাধিক বই পড়তে হবে এমন না। প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদকীয় বা অর্থনীতি পাতা থেকে অনুবাদের অনুশীলন করতে পারেন।


অনুবাদ উত্তরের যেসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে


  • অল্প লিখে বেশি নম্বর পেতে হাতের লেখা স্পষ্ট করা দরকার।
  • মোটামোটি সহজ শব্দে অনুবাদ করতে হবে। যাতে পরীক্ষক বুঝতে পারে অনুবাদ। প্রাঞ্জলতা অনুবাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ন বিষয়।
  • বাংলা থেকে ইংরেজি ও ইংরেজি থেকে বাংলা দুটি অনুবাদের জন্য ৩০ থেকে ৩৫ মিনিটের বেশি সময় ব্যয় করা ঠিক হবে না।
  • আক্ষরিক বা শব্দে শব্দে অনুবাদ ত্যাগ করতে হবে। অবশ্যই মূল ভাবের সঠিক প্রকাশ করা দরকার।
  • ব্যাংকিং, অর্থনীতি ও সমসাময়িক জাতীয়-আন্তর্জাতিক বিষয়ের ইংরেজি শব্দভাণ্ডার বাড়াতে হবে।


কম্প্রিহেনশন


পরীক্ষায় একটি দীর্ঘ প্যাসেজ থেকে প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। উত্তর লেখার সময় প্যাসেজের লাইন হুবহু কপি না করে নিজের ভাষায় লিখতে হয়। প্যাসেজ টি মূলত সাম্প্রতিক কোন গুরুত্বপূর্ন টপিক থেকে হয়ে থাকে। প্যাসেজ পড়ে উত্তর দিয়ে হয়।


তবে প্যাসেজ থেকে কেমন প্রশ্ন আসবে বা কি টাইপ প্রশ্ন আসবে না নির্দিষ্ট না। পরীক্ষা যে প্রতিষ্ঠান নিবে তারা ঠিক করে। তবে বেশির ভাগ সময় কিছু প্রশ্ন থাকে যা প্যাসেজ পড়ে উত্তর করতে হবে। অনেক সময় প্যাসেজ কে কেন্দ্র করে ভোকাবুলারি ভিত্তিক প্রশ্ন আসে। আবার সামারি লিখতে হতে পারে।


কম্প্রিহেনশন বা প্যাসেজ ভালো করার জন্য প্রথমত বিগত সালের প্যাসেজ গুলো অনুশীলন করতে হবে। তারপর পত্রিকার সম্পাদকীয় অনুশীলনের পাশাপাশি বাজার থেকে কম্প্রিহেনশন প্রাকটিস করার জন্য কোন বই পাওয়া গেলে তা কিনে প্রাকটিস করতে হবে।


গণিত ও মানসিক দক্ষতা


লিখিত পরীক্ষার গণিত প্রশ্নের উত্তর করতে ও বেশি মার্ক পেতে বেসিক ধারণা পরিষ্কার রাখা, নিয়মিত মক টেস্ট দেওয়া এবং বিগত বছরের প্রশ্ন সমাধান করা প্রয়োজন। ব্যাংকের লিখিত পরীক্ষার জন্য বিগত সালের প্রশ্ন এনালাইসিস করে গুরুত্বপূর্ন টপিক বাছাই করে সেই টপিক গুলো বেশি বেশি অনুশীলন করা যা থেকে নিয়মিত লিখিত পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে দরকার। গুরুত্বপূর্ন টপিক হিসেবে পাটিগণিত ও বীজগণিতের মৌলিক ধারণার পাশাপাশি ঐকিক নিয়ম, শতকরা, লাভ-ক্ষতি, সুদকষা, এবং বিন্যাস-সমাবেশের অংক বেশি আসে। তবে এই অংক গুলো ইংরেজিতে অনুশীলন করতে হবে।


গণিত প্রশ্নের প্রস্তুতির কার্যকর কৌশল হিসেবে যা করতে পারেন

  • বেসিক শক্ত করা: গণিতের জানা থাকলে পরীক্ষার কমন না পেলেও আপনি নিয়ম অনুযায়ী উত্তর করতে আসতে পারবেন। তাই প্রস্তুতির শুরু থেকেই শর্টকাটের চেয়ে অঙ্কের মূল নিয়ম বা রিটেনের উপযোগী বিস্তারিত সমাধান শেখা জরুরি। এবং নিয়মিত চর্চা আবশ্যক।
  • প্রশ্ন বিশ্লেষণ: যেকোন চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বিগত ১০ বছরের প্রশ্ন এনালাইসিস না করা চরম ভুল। বিগত সালের প্রশ্ন গুলো সংগ্রহ করে বাসায় খাতায় কষে অভ্যাস করতে হবে। এই অংক পারবো ভেবে এড়িয়ে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। খাতায় লিখে অভ্যাস না করলে মূল পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
  • সময় ব্যবস্থাপনার পূর্ব পরিকল্পনা করা: লিখিত পরীক্ষায় নির্দিষ্ট সময়ে ২০০ মার্কের উত্তর করতে হয় তাই নির্দিষ্ট সময়ে সকল প্রশ্নের উত্তর লেখা শেষ করতে নিয়মিত মডেল টেস্ট দিয়ে লেখার গতি বাড়াতে হবে।


বাংলা


বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক পদের লিখিত পরীক্ষায় বাংলা অংশে সাধারণত ফোকাস রাইটিং/প্রবন্ধ রচনা, অনুবাদ (ইংরেজি থেকে বাংলা) থেকে প্রশ্ন আসে। এই অংশে ভালো করার জন্য সুনির্দিষ্ট এবং কৌশলগত প্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই। এ অংশের প্রস্তুতি কৌশল হিসেবে যা করা দরকার-


  • গুরুত্বপূর্ণ টপিক নির্বাচন করা: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভূমিকা, ডিজিটাল ইকোনমি, স্মার্ট বাংলাদেশ, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, রিজার্ভ সংকট, রেমিট্যান্স প্রবাহ, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন, গ্রিন ব্যাংকিং এবং জলবায়ু পরিবর্তন সহ ব্যাংকিং, অর্থনীতি ও সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ন ইস্যু বা টপিক বাছাই ও অনুশীলন করা। সম্ভব হলে ও পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী পর্যাপ্ত ডাটা, অর্থনৈতিক সূচক, ছক বা পাই-চার্ট যুক্ত করার চেষ্টা করতে হবে।
  • ব্যাকরণ ও সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন- একেক সময় একেক প্রতিষ্ঠান পরীক্ষা নিয়ে থাকে। তাই পরীক্ষাভেদে ব্যাকরণের অংশটি পরিবর্তিত হতে পারে। কখনো কখনো ভাবসম্প্রসারণ বা কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে চিঠিপত্র লেখার প্রশ্নও আসে। বিগত সালের প্রশ্ন দেখে ঐ টপিক গুলো অনুশীলন করে যেতে হবে।


সাধারণ জ্ঞান


বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক (AD) পদের লিখিত পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জনে সাধারণ জ্ঞান (GK) প্রস্তুতিই হতে পারে আপনার গেম-চেঞ্জার। কেবল গতানুগতিক মুখস্থ তথ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে এই অংশের মূল চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে ব্যাংক ও অর্থনৈতিক খাতের সাম্প্রতিক তথ্য জানার উপর। বিশেষ করে দেশের জিডিপি, মূল্যস্ফীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের মতো অর্থনৈতিক নির্দেশক, ব্যাংকিং পরিভাষা (Repo, SLR, NPL) এবং মেগা প্রকল্পগুলোর অর্থনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে স্পষ্ট ও তথ্যভিত্তিক ধারণা রাখা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংস্থাগুলোর সিদ্ধান্ত এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতির প্রভাব নিয়ে নিয়মিত বিশ্লেষণাত্মক পড়াশোনা আপনাকে লিখিত পরীক্ষায় অন্যদের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে রাখবে। সংক্ষিপ্ত, নির্ভুল এবং সাম্প্রতিক ডাটা সমৃদ্ধ উত্তর দেওয়াই হলো জিকে অংশে সর্বোচ্চ নম্বর নিশ্চিত করার আসল কৌশল।


প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মত লিখিত অংশে সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নে কোন অপশন থাকে না। উত্তর আপনাকে লিখতে হবে। প্রশ্ন ও উত্তর দুইটাই ইংরেজি তে লিখতে হবে এবং পরীক্ষার্থীকে বানান ঠিক করার দিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।


যেহেতু প্রার্থীকে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে পড়াশোনা করতেই হয় তাই লিখিত পরীক্ষার জন্য আলাদা করে বা নতুন ভাবে প্রস্তুতি নিতে হয় না। তবে প্রিলি পরীক্ষার অপশন ত্থাকে এবং লিখিত পরীক্ষায় অপশন ছাড়া উত্তর লিখে দিতে হয় তাই অতিরিক্ত হিসেবে প্রার্থীকে লিখিত প্রস্তুতি হিসেবে অনুশীলন করতে হবে।


সর্বপরি লিখিত পরীক্ষার সফল প্রস্তুতির শুরু বিগত পরীক্ষার প্রশ্নগুলো দেখে প্রশ্নের প্যাটার্ন বুঝতে পারা এবং সে অনুযায়ী নিজের প্রস্তুতি করার জন্য পরিকল্পনা করে তা অনুযায়ী পড়াশোনা করা। সব জিনিস বার বার পড়ার থেকে গুরুত্বপূর্ন টপিক বেশি পড়ে ও বাকি বিষয় গুলো সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে। বেশি বেশি মডেল টেস্ট দিয়ে নিজের প্রস্তুতি সম্পর্কে ধারনা নিতে হবে সেই সাথে ভুল বা দুর্বলতা গুলো চিহ্নিত করে তা নিয়ে কাজ করতে হবে। সবকিছু একাধিকবার রিভাইজ করতে হবে এবং বিভিন্নভাবে চিন্তা করে সমস্যা সমাধান করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে।       

Quick Links

  • ← All Blogs
  • Current Affairs
  • Job Circulars
  • Admission Prep
  • Job Preparation