
বাংলাদেশে বর্তমানে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ৩ কোটি ৬০ লাখ। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২৫ সালে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার হতে পারে ২১ শতাংশের কিছু বেশি। বিশ্বব্যাংক আশঙ্কা করেছে এই হার ২১ দশমিক ২ শতাংশ। সেই সাথে প্রতিবেদন অনুযায়ী স্বাস্থ্যঝুঁকি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা যেকোনো বিপর্যয়ে প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাওয়ার ঝুঁকিতে আছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) নিয়মিত দারিদ্র্যের হার হিসাব করে। খানা আয়–ব্যয় জরিপের মাধ্যমে এসব তথ্য পাওয়া যায়।
বিশ্বব্যাংক ‘মাইক্রো-সিমুলেশন মডেল’ পদ্ধতি ব্যবহার করে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে।
বিশ্বব্যাংকের মতে যাদের মাসিক মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৫০ টাকা হলে নিম্ন দারিদ্র্যসীমা এবং ৩ হাজার ৮৩২ টাকা হলে মোট দারিদ্র্যসীমা ধরা হয়।
প্রতিবেদনে দারিদ্র্য এবং বৈষম্য কমাতে চারটি প্রধান নীতির কথা বলা হয়েছে-
১. উৎপাদনশীল খাতে কর্মসংস্থানের ভিত্তি মজবুত করা;
২. দরিদ্র এবং ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য বেশি করে কাজের ব্যবস্থা করা;
৩. আধুনিক প্রক্রিয়াজাত শিল্পে বিনিয়োগ এবং ব্যবসা সহায়ক বিধিবিধান তৈরি করে দরিদ্রবান্ধব বাজার ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং
৪. শক্তিশালী রাজস্ব নীতি এবং কার্যকর ও লক্ষ্যভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা শক্তিশালী করা।