সামরিক ও আধা-সামরিক বাহিনীর ব্যবহারের জন্য ড্রোন, সাইবার প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন ধরণের অস্ত্র ও গোলাবারুদের চাহিদা পূরণ ও প্রতিরক্ষা শিল্পের ভিত্তি গড়ে তোলার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে একটি 'বিশেষায়িত ডিফেন্স ইকোনমিক জোন' বা সামরিক অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
দীর্ঘমেয়াদে এই পরিকল্পনার জন্য দরকার হবে প্রায় ১৫,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় বিশেষায়িত ডিফেন্স ইকোনমিক জোন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের অভ্যন্তরীণ চাহিদার পরিমাণ প্রায় ৮,০০০ কোটি টাকা। দক্ষিণ এশিয়ার দেশ পাকিস্তান গত চার বছর ধরে প্রতিবছর ৪৫০ মিলিয়ন ডলার এবং ভারত ২.৭৬ বিলিয়ন ডলার প্রতিরক্ষা শিল্পে বিনিয়োগ করতে সক্ষম হয়েছে।
পুরো প্রক্রিয়া তদারকিতে দুটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়—
১। 'প্রতিরক্ষা শিল্প উন্নয়ন সম্পর্কিত জাতীয় নীতিমালা' প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বা উপদেষ্টাকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
২। সামগ্রিক অগ্রগতি তদারকির জন্য 'বাংলাদেশ জাতীয় প্রতিরক্ষা শিল্প-উন্নয়ন সমন্বয় পরিষদ' নামে আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।