দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট-সেপা [CEPA (Comprehensive Economic Partnership Agreement) ]) স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ।
- চুক্তির আওতায় দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক সুবিধা পাবে।
- বাংলাদেশে রপ্তানির ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়ার ৮৭ শতাংশ পণ্য একই সুবিধার আওতায় আসবে।
- ৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখ এ চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।
- দক্ষিণ কোরিয়া প্রায় দুই ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির একটি দেশ।
বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করবে-
- চুক্তির আওতায় তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্যসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্য কোরিয়ার বাজারে শুল্ক সুবিধা পাবে।
- দক্ষিণ কোরিয়া থেকে কৃষিপণ্য, প্লাস্টিক ও খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সুবিধা পাবে বলে জানান তিনি।
- ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্য রয়েছে।
- এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্য অর্জনে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন।
- বর্তমানে দুই দেশের মোট বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- বাংলাদেশ থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় রপ্তানি হয় প্রায় ৪৯১ দশমিক ৭৩ মিলিয়ন ডলারের পণ্য।
- দক্ষিণ কোরিয়া থেকে বাংলাদেশে আমদানি হয় প্রায় ৯০২ দশমিক ৯০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য।
- দুই দেশের বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি রয়েছে প্রায় ৪১১ মিলিয়ন ডলার।