
প্রথমবারের মতো আয়োজিত সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। মালদ্বীপকে ১৪–২ গোলে হারিয়ে পুরো টুর্নামেন্টে অপরাজিত থেকে চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল।
প্রথম সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন অনুষ্ঠিত হয় থাইল্যান্ডের ব্যাংককে। দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ নিয়ে লিগ পদ্ধতিতে আয়োজিত হয় এই শিরোপা। আসরে ৬ ম্যাচে ৫ জয় ও ১ ড্রয়ে সর্বোচ্চ ১৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষস্থান দখল করে রেখেছিল বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল।
এছাড়াও ২০২২ ও ২০২৪ সালে ফুটবলে সাফ শিরোপা অর্জন করে বাংলাদেশ নারী দল।
১। বাংলাদেশ
২। ভারত
৩। ভূটান
৪। নেপাল
৫। শ্রীলঙ্কা
৬। পাকিস্তান
৭। মালদ্বীপ
ফুটসাল হলো ফুটবলের একটি আধুনিক ও সংক্ষিপ্ত সংস্করণ, যেখানে দ্রুত গতি ও নিখুঁত বল নিয়ন্ত্রণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। তুলনামূলকভাবে ছোট আকারের মাঠে এবং কম সংখ্যক খেলোয়াড় নিয়ে এই খেলা অনুষ্ঠিত হয়—প্রতি দলে সাধারণত ৫ জন করে খেলোয়াড় মাঠে নামে। তবে দলে সর্বোচ্চ ১২ জন পর্যন্ত খেলোয়াড় রাখা যায় এবং খেলার সময় ইচ্ছেমতো খেলোয়াড় পরিবর্তনের সুযোগ থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফুটসাল খেলার যাত্রা শুরু হয় ১৯৩০ সালে।
ফুটসাল মাঠের আকার সাধারণত ২৭ গজ দৈর্ঘ্য ও ১৭ গজ প্রস্থ থেকে শুরু হয়ে ৪২ গজ দৈর্ঘ্য ও ২৭ গজ প্রস্থ পর্যন্ত হতে পারে ফুটসাল মাঠ। মোট ৪০ মিনিটের খেলা হয় এবং ২০ মিনিট পর খেলার বিরতি থাকে। ফুটসালের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ১৯৮৯ সাল থেকে ফিফা ফুটসাল বিশ্বকাপ আয়োজন করে আসছে।
প্রথমবার আয়োজিত সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে
সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ কোন দলকে হারায়?
সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ কত গোলে জয়লাভ করে?
সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে কয়টি দেশ অংশগ্রহণ করে?
ফিফা কবে থেকে ফুটসাল বিশ্বকাপ আয়োজন করছে?