ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি'র তত্ত্বাবধানে সমন্বিত ০৭টি ব্যাংক ও ০২টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সমন্বিতভাবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে নিম্নবর্ণিত শূন্য পদসমূহ পূরণের লক্ষ্যে প্রকৃত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিকট হতে Online এ দরখাস্ত আহ্বান করা যাচ্ছে:
পদের বিবরণ ও সাধারণ তথ্য
- পদের নাম ও গ্রেড: 'অফিসার (জেনারেল)', ১০ম গ্রেড
- Job ID Number: 26102 (আবেদন ফি প্রদানের সময় নির্ধারিত স্থানে ব্যবহার করতে হবে)
- মোট পদ সংখ্যা: ৭২৫টি
প্রতিষ্ঠানভিত্তিক পদের বিন্যাস:
- রূপালী ব্যাংক পিএলসি - ৮০টি
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি - ১৬টি
- বেসিক ব্যাংক - ১৩টি
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক - ৪৭১টি
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক - ৪৭টি •
- বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন - ২২টি
- ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ - ০২টি
- কর্মসংস্থান ব্যাংক - ৭২টি
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক - ০২টি
বেতন স্কেল: জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ এর টাকা ১৬,০০০--৩৮,৬৪০ স্কেল এবং তৎসহ নিয়মানুযায়ী প্রদেয় অন্যান্য সুবিধা
বয়সসীমা (০১/০৪/২০২৬ তারিখে): সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং সর্বোচ্চ ৩২ বছর (সকল প্রার্থীর ক্ষেত্রে)
শিক্ষাগত যোগ্যতা ও ফলাফল নির্ধারণের নীতিমালা
১. শিক্ষাগত যোগ্যতা:
- স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে যে কোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা চার বছর মেয়াদী স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি থাকতে হবে।
- মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি)/সমমান এবং তদ্বূর্ধ্ব পর্যায়ের পরীক্ষাসমূহে ন্যূনতম ০১ (এক) টিতে প্রথম বিভাগ/শ্রেণি থাকতে হবে।
- কোনো পর্যায়েই ৩য় বিভাগ/শ্রেণি গ্রহণযোগ্য হবে না।
- গ্রেডিং পদ্ধতির ফলাফলের ক্ষেত্রে সরকারি নীতিমালা প্রযোজ্য হবে।
২. জিপিএ/সিজিপিএ-এর বিপরীতে বিভাগ/শ্রেণি নির্ধারণ (শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী):
- এস.এস.সি বা সমমান এবং এইচ.এস.সি বা সমমান পরীক্ষার ক্ষেত্রে:
- জিপিএ ৩.০০ বা তদ্বূর্ধ্ব = প্রথম বিভাগ
- জিপিএ ২.০০ বা তদ্বূর্ধ্ব কিন্তু ৩.০০ এর কম = দ্বিতীয় বিভাগ
- অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত সিজিপিএ এর ক্ষেত্রে:
- ৪.০০ পয়েন্ট স্কেলে: ৩.৭৫ বা তদ্বূর্ধ্ব (প্রথম বিভাগ) | ২.৮১৩ বা তদ্বূর্ধ্ব কিন্তু ৩.৭৫ এর কম (দ্বিতীয় বিভাগ)
- ৫.০০ পয়েন্ট স্কেলে: ৩.০০ বা তদ্বূর্ধ্ব (প্রথম বিভাগ) | ২.২৫ বা তদ্বূর্ধ্ব কিন্তু ৩.০০ এর কম (দ্বিতীয় বিভাগ)
গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ও সময়সূচি
- আবেদনপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ও সময়: ০২ জুলাই, ২০২৬ তারিখ, রাত ১১.৫৯ টা।
- আবেদন ফি প্রদান, Payment Verify এবং Tracking Page সংগ্রহের শেষ তারিখ ও সময়: ০৪ জুলাই, ২০২৬ তারিখ, রাত ১১.৫৯ টা।
আবেদন ফি ও রিফান্ড পদ্ধতি আবেদন ফি: অফেরতযোগ্য টাকা ২০০/- (দুইশত মাত্র)। সকল প্রার্থীকেই এই হারে ফি প্রদান করতে হবে। অনগ্রসর নাগরিক গোষ্ঠীভুক্তদের জন্য বিশেষ নিয়ম: অনগ্রসর নাগরিক গোষ্ঠীভুক্ত প্রার্থীদের অবশিষ্ট অর্থ (টাকা ১৫০/-) ফেরত প্রাপ্তির নিমিত্তে প্রয়োজনীয় দলিলাদিসহ [https://erecruitment.bb.org.bd/onlineapp/apply_fee_rfnd.php] এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। পরবর্তীতে আবেদন ও দাখিলকৃত দলিলাদি যাচাই সাপেক্ষে অবশিষ্ট অর্থ আবেদন ফি প্রদানের জন্য ব্যবহৃত রকেট একাউন্টে ফেরত দেওয়া হবে।
অনলাইন আবেদন পদ্ধতি (Application Process)
১. অনলাইন রেজিস্ট্রেশন:
- কেবল বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ সংক্রান্ত ওয়েবসাইট ([https://erecruitment.bb.org.bd] এ নির্ধারিত ছক পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
- ইতঃপূর্বে নিবন্ধনকৃত প্রার্থীরা বিদ্যমান CV ব্যবহার করে আবেদন করতে পারবেন। একজন প্রার্থী একের অধিক CV তৈরি করতে পারবেন না।
- নতুন প্রার্থীরা নিবন্ধন সম্পন্ন করলে একটি CV ID Number এবং Password পাবেন, যা ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে।
২. প্রার্থীর বিবরণ ও ঠিকানা:
- প্রার্থীর নাম, পিতা ও মাতার নাম এবং জন্ম তারিখ অবশ্যই এসএসসি বা সমমানের সনদ অনুযায়ী লিখতে হবে।
- বর্তমান ঠিকানা হিসেবে নিয়োগ সংক্রান্ত চিঠিপত্র পেতে ইচ্ছুক ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে।
- স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/পৌরসভার মেয়র/ওয়ার্ড কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত জাতীয়তা সনদে উল্লিখিত ঠিকানা দিতে হবে। বিবাহিত মহিলা প্রার্থীরা স্বামীর স্থায়ী ঠিকানা ব্যবহার করতে পারবেন (আবেদনের পর বিয়ে হলে যথাযথ প্রমাণ সাপেক্ষে স্বামীর স্থায়ী ঠিকানার অনুকূলে পরিবর্তন করা যাবে)।
৩. ছবি ও স্বাক্ষর আপলোড:
- ছবি (Photo): নতুন প্রার্থীকে অনধিক তিন মাস পূর্বে তোলা রঙিন ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড সম্বলিত) স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
- সাইজ: 600x600 pixel, ফাইল সাইজ: অনধিক 100 KB। মুখ ও কানের উপর আবরণ রাখা যাবে না। সাদাকালো এবং Informal ছবি দিলে প্রার্থীতা বাতিল হবে।
- স্বাক্ষর (Signature): সাদা কাগজের উপর কালো কালিতে প্রার্থীর নিজের স্বাক্ষর স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। সাইজ: 300x80 pixel, ফাইল সাইজ: অনধিক 60 KB।
৪. অন্যান্য তথ্যাদি:
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কর্তৃক প্রকাশিত সংশ্লিষ্ট অর্জিত ডিগ্রির ফলাফল প্রকাশের তারিখ অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।
বিদেশি ডিগ্রিধারী প্রার্থী: 'O' Level ও 'A' Level পাশ হলে দেশীয় সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড এবং বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি প্রাপ্ত হলে দেশীয় সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়/ইউজিসি/শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ইস্যুকৃত সমমান সার্টিফিকেট (শ্রেণি/বিভাগ/জিপিএ/সিজিপিএ উল্লেখসহ) মৌখিক পরীক্ষার সময় চেকিং বোর্ডে অবশ্যই দাখিল করতে হবে, অন্যথায় মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যাবে না।
৫. প্রতিষ্ঠান পছন্দক্রম (Bank Preference):
আবেদনে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকে বিবেচনায় নিয়ে পছন্দক্রম নির্ধারণ করতে হবে। অর্জিত মেধাক্রম এবং পছন্দক্রম অনুসারে শূন্য পদ থাকা সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের জন্য মনোনীত করা হবে। আবেদন দাখিলের পর এই পছন্দক্রম কোনো অবস্থাতেই পরিবর্তন করা যাবে না। ফি প্রদান এবং ভেরিফিকেশন পদ্ধতি (Payment & Verification)
ধাপ ১ (Payment): ডাচ বাংলা ব্যাংক পিএলসি এর মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) 'রকেট' এর অ্যাপ বা ম্যানুয়াল পদ্ধতির "Bill Pay" অপশন ব্যবহার করে ফি দিতে হবে। Biller ID: Bankers Selection Committee Secretariat অথবা 499। এরপর পর্যায়ক্রমে Job ID Number, নিজ CV ID Number এর ১ম অংশ (হাইফেনের আগের অংশ) ও ফি এর পরিমাণ দিয়ে ফি প্রদান করতে হবে। ফি প্রদান শেষে মোবাইলের মেসেজে একটি Transaction ID (TxnID) নম্বর পাওয়া যাবে। বিস্তারিত জানতে: [https://erecruitment.bb.org.bd/onlineapp/rocketpreepay.pdf](https://erecruitment.bb.org.bd/onlineapp/rocketpreepay.pdf)।
ধাপ ২ (Payment Verify): প্রাপ্ত TxnID নম্বরটি বাংলাদেশ ব্যাংকের erecruitment সাইটের নির্দিষ্ট ফিল্ডে বসিয়ে Payment Verify সম্পন্ন করতে হবে। Payment Verify সম্পন্ন না করলে পরবর্তীতে Admit Card ডাউনলোড করা যাবে না। ভুল JOB ID বা ভুল CV ID ব্যবহার করে ফি জমা দিলে বা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে Verify না করলে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না এবং ফি ফেরত/সমন্বয় করা হবে না।
ধাপ ৩ (Tracking Page সংগ্রহ): Payment Verify সম্পন্ন হওয়ার পর প্রাপ্ত Tracking ID Number সম্বলিত Tracking Page টি ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো Duplicate Copy সরবরাহ করা হবে না।
পরীক্ষা ও সিলেকশন প্রক্রিয়া
- পরীক্ষার ধাপসমূহ: প্রার্থীকে প্রাথমিক নির্বাচনী, লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
- প্রবেশপত্র: প্রাথমিকভাবে যোগ্য প্রার্থীদের প্রবেশপত্র ও নির্বাচনী পরীক্ষার তারিখ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি যথাসময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করা হবে।
- কাগজপত্র যাচাই: অনলাইন আবেদনের সময় কোনো কাগজপত্র প্রেরণ করতে হবে না। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের অনলাইন আবেদনে প্রদত্ত প্রতিটি তথ্যের স্বপক্ষে যথাযথ সনদ/প্রত্যয়নপত্র মৌখিক পরীক্ষার দিন দাখিল করতে হবে। অনলাইন আবেদনে প্রদত্ত তথ্যে কোনো গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়লে মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে না এবং প্যানেল প্রস্তুতকালেও কোনো ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে প্রার্থীকে প্যানেলভুক্ত করা হবে না।
- চাকুরীরত প্রার্থী: চাকুরীরত প্রার্থীকে তাঁর নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদনক্রমে আবেদন করতে হবে এবং মৌখিক পরীক্ষার দিন উক্ত অনুমোদনের কপি প্রদর্শন করতে হবে।
- কোটা ও চূড়ান্ত নিয়োগ: নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা সংক্রান্ত সরকারি সর্বশেষ নীতিমালা ও অন্যান্য বিধি-বিধান অনুসরণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকসমূহ তাদের স্ব স্ব বিধিবিধান অনুসরণপূর্বক চূড়ান্ত নিয়োগ প্রদান করবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের (BSCS) অধীনে এই সমন্বিত ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আবেদন করার ক্ষেত্রে প্রার্থীরা প্রায়শই কিছু সাধারণ ভুল করে থাকেন, যার কারণে কোনো নোটিশ ছাড়াই আবেদনপত্র বাতিল হয়ে যেতে পারে। নিচে সাধারণ ভুলসমূহ এবং সেগুলোর সঠিক সমাধান তুলে ধরা হলো:
ভুল ১: একাধিক সিভি (CV) তৈরি করা বা ভুল CV ID ব্যবহার করা
- ভুল: অনেক প্রার্থী অজান্তেই একাধিকবার রেজিস্ট্রেশন করে একাধিক CV ID তৈরি করে ফেলেন। আবার অনেকে ফি জমা দেওয়ার সময় ভুল CV ID ব্যবহার করেন।
- সমাধান: একজন প্রার্থী কোনোভাবেই একের অধিক CV তৈরি করতে পারবেন না। যারা আগে নিবন্ধন করেছেন, তারা পূর্বের বিদ্যমান CV ID এবং Password ব্যবহার করেই আবেদন করবেন। আর নতুন প্রার্থীরা রেজিস্ট্রেশন করে যে CV ID ও Password পাবেন, তা ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য অবশ্যই যত্ন সহকারে সংরক্ষণ করবেন। ফি প্রদানের সময় নিজের সঠিক CV ID-এর ১ম অংশ (হাইফেনের আগের অংশ) ব্যবহার করতে হবে।
ভুল ২: ছবির সাইজ, ব্যাকগ্রাউন্ড ও মুখাবরণ সংক্রান্ত ভুল
ভুল: সাদাকালো, ইনফরমাল (অনানুষ্ঠানিক) ছবি আপলোড করা, ৩ মাসের চেয়ে বেশি পুরোনো ছবি দেওয়া কিংবা ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড সাদা না রাখা। এছাড়া ছবি তোলার সময় মুখ বা কান ঢেকে রাখা।
সমাধান: ছবি অবশ্যই অনধিক তিন মাস পূর্বে তোলা রঙিন এবং সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড সম্বলিত হতে হবে। ছবি তোলার সময় মুখ ও কানের উপর কোনো আবরণ রাখা যাবে না। ছবির মাপ নিখুঁতভাবে 600x600 pixel এবং ফাইল সাইজ অনধিক 100 KB হতে হবে। (সাদাকালো বা ইনফরমাল ছবি দিলে প্রার্থিতা সরাসরি বাতিল হবে)।
ভুল ৩: স্বাক্ষরের ভুল ফরম্যাট
ভুল: রঙিন কাগজে বা রঙিন কালিতে স্বাক্ষর করা এবং ভুল সাইজের ফাইল আপলোড করা।
সমাধান: স্বাক্ষর অবশ্যই সাদা কাগজের উপর কালো কালিতে হতে হবে। এর সাইজ নিখুঁতভাবে 300x80 pixel এবং ফাইল সাইজ অনধিক 60 KB হতে হবে। 💡 বিশেষ নোট: যদি কোনো কারণে ছবি বা স্বাক্ষর পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়, তবে CV ID উল্লেখ করে স্ক্যানকৃত নতুন ছবি/স্বাক্ষরসহ প্রার্থীর নিজের নিবন্ধিত ই-মেইল থেকে [email protected]এ ই-মেইল পাঠাতে হবে।
ভুল ৪: শুধু ফি প্রদান করা কিন্তু 'Payment Verify' না করা
ভুল: রকেটের মাধ্যমে ২০০ টাকা বিল পে (Bill Pay) করার পর ফোনে Transaction ID (TxnID) চলে আসলেই অনেকে ভাবেন আবেদন শেষ। এটি সবচেয়ে বড় ভুল।
সমাধান: ফি প্রদানের পর প্রাপ্ত TxnID-টি বাংলাদেশ ব্যাংকের erecruitment সাইটের নির্দিষ্ট ফিল্ডে বসিয়ে অবশ্যই Payment Verify সম্পন্ন করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে (০৪/০৭/২০২৬ তারিখ রাত ১১:৫৯ টার মধ্যে) Payment Verify না করলে আবেদনটি অসম্পূর্ণ থেকে যাবে এবং গ্রহণযোগ্য হবে can না। এর ফলে পরবর্তীতে Admit Card-ও ডাউনলোড করা যাবে না।
ভুল ৫: ট্র্যাকিং পেজ (Tracking Page) সংগ্রহ না করা
- ভুল: পেমেন্ট ভেরিফাই হওয়ার পর স্ক্রিনে ট্র্যাকিং পেজ চলে আসলে অনেকেই তা ডাউনলোড বা প্রিন্ট না করে ব্রাউজার বন্ধ করে দেন।
- সমাধান: পেমেন্ট ভেরিফাই হওয়ার সাথে সাথেই Tracking ID Number সম্বলিত Tracking Page-টি হার্ডকপি (প্রিন্ট) ও সফটকপি (PDF) আকারে সংরক্ষণ করতে হবে। কারণ নির্ধারিত সময়ের পরে কোনো অবস্থাতেই এই ট্র্যাকিং পেজের ডুপ্লিকেট কপি বাংলাদেশ ব্যাংক সরবরাহ করবে না।
ভুল ৬: এসএসসি (SSC) সনদের সাথে তথ্যের অমিল ও ভুল ফলাফল ইনপুট
- ভুল: অনলাইন আবেদনে নিজের নাম, পিতা-মাতার নাম বা জন্ম তারিখ টাইপ করার সময় ভুল করা অথবা সনদের সাথে অমিল থাকা। এছাড়া অর্জিত ডিগ্রির রেজাল্ট প্রকাশের ভুল তারিখ দেওয়া।
- সমাধান: আবেদনের সময় প্রার্থীর নাম, পিতা ও মাতার নাম এবং জন্ম তারিখ অবশ্যই এসএসসি (SSC) অথবা সমমানের সনদ অনুযায়ী হুবহু লিখতে হবে। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কর্তৃক প্রকাশিত সংশ্লিষ্ট ডিগ্রির ফলাফল প্রকাশের আসল তারিখটিই আবেদনে উল্লেখ করতে হবে। কোনো ধাপে ৩য় বিভাগ/শ্রেণি থাকলে আবেদন করা যাবে না।
ভুল ৭: প্রতিষ্ঠান পছন্দক্রমে (Bank Preference) অসতর্কতা
- ভুল: ৯টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম দেওয়ার সময় গুরুত্ব না দেওয়া বা পরবর্তীতে তা পরিবর্তনের আশা করা।
- সমাধান: অনলাইন আবেদনে ৯টি প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটিকে বিবেচনায় নিয়ে খুব সতর্কতার সাথে নিজের পছন্দক্রম (Preference) নির্ধারণ করতে হবে। কারণ আবেদন দাখিলের পর এই পছন্দক্রম কোনো অবস্থাতেই পরিবর্তন করা যাবে না। চূড়ান্ত মনোনয়ন আপনার অর্জিত মেধাক্রম এবং এই পছন্দক্রমের ভিত্তিতেই হবে।
ভুল ৮: চাকুরীরত প্রার্থীদের অনুমতি না নেওয়া
- ভুল: বর্তমানে কোথাও চাকুরীরত থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া আবেদন করা এবং ভাইভার দিন অনুমতিপত্র দেখাতে না পারা।
- সমাধান: চাকুরীরত প্রার্থীদের অবশ্যই তাঁদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদনক্রমে আবেদন করতে হবে এবং মৌখিক পরীক্ষার দিন উক্ত অনুমোদনের কপি বোর্ডে প্রদর্শন করতে হবে। সর্বশেষ পরামর্শ: আবেদনের শেষ তারিখ ০২ জুলাই, ২০২৬ (রাত ১১:৫৯ টা)। তবে শেষ দিন বা শেষ সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে হাতে যথেষ্ট সময় নিয়ে আবেদন দাখিল, ফি প্রদান এবং পেমেন্ট ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করে ট্র্যাকিং পেজটি প্রিন্ট করে নিন। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিলে কোনো প্রকার যোগাযোগ ছাড়াই আবেদনটি বাতিল হয়ে যাবে।