Preparation Academy Logo
+8801611-905232[email protected]
About Us
Privacy Policy
Quick Links
Admission
Job Preparation
Current Affairs
Circulars
Blogs

© 2026 — Copyright Preparation Academy BD. All rights reserved Powered By RiseTank .

Preparation Academy Logo
  • Preparation Academy Logo
    • Home
    • Admission
    • Job Preparation
    • Current Affairs
    • Circular
    • Blogs
    • Plans
  • Log In
প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি কৌশল

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি কৌশল

দীর্ঘ ১৩ বছর পর আবারো প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ সরাসরি পরীক্ষার মাধ্যমে হচ্ছে। প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জন্য সর্বশেষ পরীক্ষা হয়েছিল ২০১২ সালে। পূর্বে এই পদটি পূরণ হত বিসিএস নন-ক্যাডার থেকে। কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৫ অনুসারে এই বছর থেকে সাধারণ যোগ্য প্রার্থীরাও প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। তাই যারা শিক্ষকতা করতে চান, এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি তাদের জন্য একটি বড় সুযোগ।


প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ সার্কুলার ২০২৫

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (Bangladesh Public Service Commission (BPSC) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ৩১ আগস্ট ২০২৫ তারিখ ০১টি ক্যাটাগরিতে ১১২২ জন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আবেদন শুরু ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং এবং আবেদনের শেষ তারিখ ২৬ অক্টোবর ২০২৫ইং। চুড়ান্ত ফলাফল শেষে প্রার্থীরা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে কর্মজীবন শুরু করবে।

আবেদনের যোগ্যতা ও শর্ত
১। বয়সসীমা- আবেদনকারীর সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর হতে হবে।
২। শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষা জীবনে কোনো স্তরে তৃতীয় বিভাগ / শ্রেণি অথবা সমমানের জিপিএ গ্রহণযোগ্য হবে না।
৩। জাতীয়তা: অবশ্যই আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।

নিয়োগ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
১। প্রাইমারি বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক ১১ ও ১২তম গ্রেড অনুযায়ী বেতন ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। এক্ষেত্রে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের বেতনস্কেল ১২৫০০–৩০২৩০ টাকা এবং প্রশিক্ষণবিহীনদের বেতনস্কেল ১১৩০০–২৭২৩০ টাকা হবে।
২। বাছাই পরীক্ষা হিসেবে ৯০ মার্কের এমসিকিউ MCQ পরীক্ষা (লিখিত হিসেবে বিবেচিত) দিতে হবে!
৩। প্রিলিমিনারি বা ৯০ মার্কের এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীর ভাইভা হবে ১০ নাম্বারের।
৪। নীতিমালা অনুযায়ী ৮০% পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হবে এবং ২০% পদ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করা হবে। তবে কোনো সময় পদোন্নতির জন্য যথেষ্ট যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে, সেই ক্ষেত্রে সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমেই অবশিষ্ট শূন্য পদ পূরণ করা হবে।


প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ আবেদন পদ্ধতি
আবেদন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন নির্ধারিত প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ আবেদন লিংক থেকে Applicant's Copy (BPSC Form-5A) পুরন করে আবেদন পত্র ডাউনলোড করে টেলিটক সিম থেকে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে। আবেদন ফি হিসেবে মোট ১৫০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস ও বিষয়ভিত্তিক মার্কস বন্টন:
বাংলা - ২৫
ইংরেজি - ২৫
গণিত ও দৈনন্দিন বিজ্ঞান – ২০
সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী) - ২০
মৌখিক পরীক্ষা ১০ মার্ক। উভয় ক্ষেত্রে পাশ মার্ক ৫০%। এমসিকিউ ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষার জন্য মোট সময় বরাদ্দ ৯০ মিনিট। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য যোগ্য হিসেবে গন্য হবেন।

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য কি কি পড়তে হবে?
সঠিক ও গোছানো ভাবে প্রস্তুতির জন্য প্রথমেই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রশ্নব্যাংক দেখতে হবে। বিগত সালের প্রশ্ন এনালাইসিস করলে আপনি গুরুত্বপূর্ন অধ্যায় ও টপিক জানতে পারবেই। পাশাপাশি আপনাকে ১০ম থেকে ৪৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রশ্নের ব্যাখ্যাসহ সমাধান পড়া, প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রশ্ন, শিক্ষক নিবন্ধন প্রশ্ন, পিএসসি ও অন্যান্য নিয়োগ পড়তে হবে। এছাড়াও নন-ক্যাডার নিয়োগ নীতিমালা ও সিলেবাস অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে পারেন।

বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি
বাংলা - বাংলা অংশের ক্ষেত্রে বাংলা সাহিত্য ও নবম দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বইয়ের মূল বিষয়গুলো অবশ্যই আয়ত্তে আনতে হবে। বাংলা সাহিত্যের জন্য পিএসসি প্রণীত যে কবি বা লেখকসমূহ আছে তাদের বিস্তারিত জীবন, সাহিত্যকর্ম জানা জরুরি। পাশাপাশি বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক, প্রকাশের সাল জানতে হবে। ব্যাকরণ অংশের সব বিষয়ের খুটিনাটি জানা জরুরি যেমন-ভাষা, ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়, ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দ ও এর প্রকারভেদ, বাক্য, বাক্যের গুণাবলি, উপসর্গ, অনুসর্গ, সন্ধি, কারক বিভক্তি, প্রকৃতি প্রত্যয়, সমাস, পারিভাষিক শব্দ, সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ, বাগধারা, প্রবাদ প্রবচন ইত্যাদি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে পরিগনিত হয়।

ইংরেজি- ইংরেজির অংশের প্রস্তুতিত জন্য গুরুত্বপূর্ন টপিকগুলো হলো Identification of Parts of Speech, Synonym, Antonyms, Gerund, Participle, Grammatical Mistakes, Spelling, Right form of verb, Sentence Correction ইত্যাদি। তবে গ্রামার অংশে মোটামুটি ব্যাসিক জানা বা ভালো দখল আনা জরুরি।

গণিত- প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে গণিত অংশের জন্য বীজগণিত অংশ একটু কম গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু পাটিগণিত, পরিমিতি, জ্যামিতি এ তিনটি বিষয়ে হতে হবে একদম পুরোদস্তুর বিশারদ। লাভ-ক্ষতি, শতকরা, ঐকিক নিয়ম, দূরত্ব, পরিমাপ, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, বৃত্ত ইত্যাদি বিষয় চর্চা করা প্রয়োজন।

দৈনন্দিন বিজ্ঞান- এ অংশে মৌলিক বিষয়াবলিতে জোর দিলেই ভালো মার্ক পাওয়া যাবে। সব ব্যাসিক প্রশ্ন যেমন: পদার্থ-এর প্রকারভেদ, পরিমাপ, মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ, শক্তি, শক্তির রূপান্তর, কাজ, ক্ষমতা, বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র (ওডোমিটার, ব্যারোমিটার, ফ্যাদোমিটার, ক্রেসকোগ্রাফ), জীববিজ্ঞান ও এর শাখা, পুষ্টি ও খাদ্য, জীবের ক্রোমোজোম, ডিএনএ, কোষ বিভাজন ইত্যাদি বিশেষ উল্লেখযোগ্য।

সাধারণ জ্ঞান- এ অংশে বেশিরভাগ প্রচলিত প্রশ্ন আসে সাথে সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর উপর কিছু নম্বর থাকতে পারে। তাই প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে গুরুত্বপূর্ন অধ্যায়ের উপর বিগত সালের প্রশ্ন পড়তে হবে।

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫ পরীক্ষায় সফল হওয়ার উপায়
● ডিসেম্বর ২০২৫ এর মধ্যে পরীক্ষা হওয়ার সম্ভাবনা থাকায়, স্বল্প সময়ে প্রস্তুতি শেষ করতে শুরুতে একটি কার্যকর পরিকল্পনা করে, সেই অনুযায়ী নিয়মিত পরাশোনা করতে হবে।
● বাংলা, ইংরেজি, গণিত এবং সাধারণ জ্ঞান সহ সকল বিষয়ে সমান গুরুত্ব দিতে হবে এবং দুর্বল জায়গাগুলোতে বেশি বেশি সময় ও বার বার রিভিশন দিতে হবে।
● একটি সুনির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করে নিয়মিত পড়াশোনা করুন।
● অধ্যবসায় এবং ধৈর্য ধরে প্রস্তুতি চালিয়ে যান।
● প্রয়োজনে কোনো সহায়ক বই অথবা কোর্সের সাহায্য নিতে পারেন।
● পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর নোট নিন এবং নিয়মিত সেগুলো অনুশীলন করুন। সম্ভব হলে, মক টেস্ট দিন।

প্রাইমারি শিক্ষক নীয়োগ প্রস্তুতির জন্য করণীয়
১। সিলেবাস অনুযায়ী পড়াশোনা করা: যেকোন সরকারি চাকরির গোছানো প্রস্তুতির জন্য প্রথমেই সিলেবাস বুঝতে হবে ও বিষয় ভিত্তিক নাম্বার বণ্টন দেখে পড়াশোনা করতে হবে।
২। ভালো বই নির্বাচন- প্রতিযোগিতামূলক যেকোন সরকারি চাকরির পরীক্ষায় পাশ করার জন্য ভালো বইয়ের বিকল্প নেই। বর্তমানে বাজারে নিম্নমানের, ভুল তথ্য ভরা বইয়ের অভাব নেই। আপনাকে অবশ্যই ভালো বই নির্বাচন করতে হবে ও চেষ্টা করতে হবে ভুল তথ্য থেকে নিরাপদ থাকা।
৩। একাধিক বই না পড়া- প্রত্যেক চাকরি প্রার্থীর কাছে প্রতি বিষয়ে একাধিক বই থাকে। বেশি কমন পাওয়ার আশার এক বিষয়ে একাধিক বই পড়ে হিতে-বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সফল চাকরি প্রার্থীদের পরামর্শ হলো এক বিষয়ে একাধিক বই না পড়ে এক বিষয়ে একটি বই বার বার পড়া।
৪। বেশি বেশি রিভিশন দেয়া- এক বিষয় একটি বই পড়ার পাশাপাশি যত বেশি সম্ভব রিভিশন দিতে হবে। আমাদের দেশে অনেকদিন ধরে চাকরির প্রস্তুতি নিয়েও সফল না হওয়ার পিছনে অন্যতম কারন হলো রিভিশনের অভাব। কোন বিষয়ে আপনি যতবার পড়বেন তার থেকে বেশি রিভিশন দিতে হবে।
৫। গুরুত্বপূর্ন টপিক নোট করা- যেহেতু আপনাকে অল্প সময়ে বেশি রিভিশন দিতে হবে তাই আপনাকে প্রথমবার পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ন টপিক ও আপনার বুঝতে অসুবিধা বা কঠিন মনে হয় সেগুলো নোট করে নিতে হবে। পরে সেই নোট গুলো বার বার রিভিশন দিতে হবে।
৬। বেশি বেশি মক টেস্ট বা মডেল টেস্ট দেয়া- চাকরির পরীক্ষার জন্য আপনাকে অবশ্যই বেশি বেশি মক টেস্ট বা মডেল টেস্ট দিতে হবে। মডেল টেস্ট দিতে আপনি কোন কোচিং এ ভর্তি হতে পারেন, অনলাইনে কোন মডেল টেস্ট প্যাকেজ কিনে বাসায় বসে পরীক্ষা দিতে পারেন।
৭। সাম্প্রতিক তথ্য জানা- যেকোন চাকরির পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান অংশে সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন আসে। তাই চাকরি পরীক্ষার্থী হিসেবে আপনাকে অবশ্যই সাম্প্রতিক তথ্য জানতে হবে।
৮। সময় অপচয় না করা- আমরা চাকরির প্রস্তুতি নেয়ার সময় বা বিভিন্ন সময় অভিযোগ করি আমাদের সময় নেই। চাকরির পড়াশোনার সময় অবশ্যই সময়ের অপচয় কমাতে হবে।
৯। পরিকল্পিত কৌশল- প্রত্যেক পরীক্ষার জন্য আপনার একটি সুনির্দিষ্ট কৌশল থাকা দরকার। একই কৌশলে সকল পরীক্ষার প্রস্তুতি না নিয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুসরন করে নিয়মিত অধ্যবসায় করলে দ্রুত সফলতা আসবে।

Quick Links

  • ← All Blogs
  • Current Affairs
  • Job Circulars
  • Admission Prep
  • Job Preparation