দেশে প্রতিবছর শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়তেছে। উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ ও বড় বড় ডিগ্রী থাকার পরও অনেকেই চাকরি না পেয়ে বেকার থাকতেছে। আবার অনেকেই জীবন যুদ্ধে পরাজয় বরণ করে বেছে নিচ্ছে আত্মহত্যার পথ। তবে বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি কর্মক্ষেত্রে অনেক কাজের সুযোগ বিদ্যমান। তবে যোগ্য ব্যক্তি ও পর্যাপ্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন জনশক্তির অভাব বিদ্যমান। আজকে আমরা করিয়ারের প্রস্তুতি সময় থেকে শুরু করে কোন চাকরিতে প্রবেশ পর্যন্ত সময়ে আমাদের সাধারণ ও বহুল পরিচিত কিছু ক্যারিয়ার মিসটেক সম্পর্কে জানবো -
১। ’সব জানি' মানসিকতা
ক্যারিয়ারের প্রস্তুতি সময়ে অনেকেই অল্প কিছু জানার পর নিজেকে সর্বজ্ঞানী ভাবা শুরু করে। বিভিন্ন কাজ ও দক্ষতার অল্প কিছু জানার পর মনে করে তারা সব পারে। যেমন অনেকেই MS Word, Excel ব্যবহার শিখে নিজেকে দক্ষ ভাবে। কিন্তু প্রফেশনাল ক্ষেত্রে এসব দিয়ে অনেক উচ্চ পর্যায়ের কাজ করা হয়। সব জানি মানসিকতা থাকলে সে কখনোই উচ্চ পর্যায়ের এসব কাজ শিখতে পারবে না। ফলে কর্মক্ষেত্রে পিছিয়ে পরবে।
২। নেটওয়ার্ক না বাড়ানো
Netwok is net worth। নেটওয়ার্কিং কে বর্তমানে মানুষের ব্যক্তিগত সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আপনার নেটওয়ার্কিং যত ভালো হবে জীবনে সফর হওয়া বা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। এছাড়াও কারো নেটওয়ার্কিং ভালো হলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মী নিয়োগ হলে দ্রুত সেখানে নিয়োগ পাওয়া যায়। কিন্তু বাংলাদেশে অনেকেই নেটওয়ার্কিং করাকে ঝামেলা মনে করে। নেটওয়ার্কিং না বাড়ানোর কারণে অনেকেই ক্যারিয়ারে পিছিয়ে পরে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় আমাদের চারপাশে এমন অনেক ব্যক্তি আছেন যারা অনেক দক্ষ কিন্তু কোন কাজ পাচ্ছেন না। কারন তারা কাজের সুযোগ থেকে অনেক দূরে বা যারা কাজের সুযোগ নিয়ে বসে আছেন তারা যোগ্য ব্যক্তি পর্যন্ত পৌছাতে পারছেন না।
৩। লিংকডাইন প্রোফাইল না থাকা
লিংকডইন বর্তমানে বহুল পরিচিত প্রফেশনাল সাইট। এখানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ও বিভিন্ন প্রফেশনের কর্মজীবী ব্যক্তিরা তাদের ফিল্ডের তথ্য শেয়ার করার পাশাপাশি মানুষের সাথে যোগাযোগ করে। লিংকডাইন প্রোফাইল ব্যবহার করে সহজেই সম্ভাব্য নিয়োগদাতার সাথে যোগাযোগ করা যায় এবং প্রফেশনাল লাইফ সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা যায়। তবে অনেকেই লিংকডাইন প্রোফাইল ব্যবহার না করে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এ সময় কাটায় যা ক্যারিয়ারের অন্যতম ভুল।
৪। ব্যক্তিগত তথ্য বেশি শেয়ার করা
বর্তমানে ফেসবুক সহ অনেক সোশ্যাল মিডিয়া সকলের কাছে খুবই জনপ্রিয়। প্রায় সকলেই দিনের বেশিরভাগ সময় অনলাইনে কাটায়। অতিরিক্ত অনলাইনে থাকার কারণে সকলেই তাদের ব্যক্তিগত তথ্য, সম্পর্ক সহ অনেক কিছু অনলাইনে শেয়ার করে থাকে। ব্যক্তিগত তথ্যের এমন মাত্রাতিক্ত শেয়ার ব্যক্তির জন্য যেমন হুমকি তেমনই চাকরি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের জন্যও। তাই চাকরিদাতারা বর্তমানে চাকরি প্রদানের পূর্বে প্রার্থীর সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল চেক করে থাকে। কোন প্রার্থীর সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যক্তিগত তথ্যের বহুল শেয়ার থাকলে অনেকেই তাদের প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দিতে চায় না।
৫। বানান সংশোধন না করা
বর্তমানে চাকরি প্রাপ্তির জন্য প্রায় সকলেই সিভি তৈরি করে তা ইমেইলে চাকরি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে পাঠায়। এখানে অনেকেই সিভির মধ্যে বানান ভুল করে থাকে আবার যে ইমেইল করা হয়েছে তাতেও বানান ভুল থাকে। অনেকের মধ্যে সিভি বা কাউকে মেইল করলে মেইল পাঠানোর পূর্বে বানান ভুল দেখার ও সংশোধনের প্রবণতা থাকে না। এটি অনেক বড় ভুল। নিয়োগদাতা আপনার পাঠানো মেইলে বানান ভুল দেখলে অবশ্যই আপনার সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করবে। ফলে আপনার প্রতি নিয়োগদাতার নেতিবাচক মনোভাব থাকলে আপনার চাকরি না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
আদর্শ সিভির চেকলিস্ট
- যোগাযোগের তথ্য: নাম, ইমেইল (যেমন: [email protected]), ফোন নম্বর সংযুক্ত করতে হবে।
- প্রফেশনাল সামারি: সিভির শুরুতে ২-৩ লাইনে আপনার মূল দক্ষতা ও কাজের লক্ষ্য তুলে ধরতে হবে।
- কাজের অভিজ্ঞতা: সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা সবার আগে দিতে এবং সম্পর্কযুক্ত কাজের অভিজ্ঞতা সিভিতে রাখতে হবে।
- দক্ষতা: চাকরির পোস্টের সাথে প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল ও সফট স্কিল তালিকা করে দিতে হবে।
- সিভি ফাইল ফরম্যাট: PDF ফরম্যাটে এবং কোনো বানান ভুল ছাড়া হতে হবে।
- ছবি: সিভিতে অবশ্যই পেশাদার ও সুন্দর ছবি দিতে হবে।
৬। মেন্টর না রাখা
ক্যারিয়ার গঠন হোক বা প্রস্তুতি মোটামুটি সকলেরই একজন মেন্টর আবশ্যক। যার কাছ থেকে আপনি ক্যারিয়ারের বিভিন্ন দিক নিয়ে পরামর্শ নিতে পারবেন। যে আপনাকে ক্যারিয়ার সচেতন করার পাশাপাশি ক্যারিয়ার ও চাকরির বিভিন্ন আপডেট জানাবে। সর্বোপরি ক্যারিয়ার নিয়ে আপনার সকল দ্বিধা দূর করবে। তবে মেন্টর খোঁজা ও তাদের সাথে ক্যারিয়ার নিয়ে আলোচনার প্রবণতা অনেক কম, যা ক্যারিয়ারের অন্যতম ভুল।
৭। সর্বোচ্চ চেষ্টা না করা
আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষের মধ্যে বর্তমানে সকল বিষয়ে নেতিবাচক ধারণা আস্তানা বেধেছে। সবাই মনে করে আমি এটা পারব, আমাকে দিয়ে হবে না, বাকিরা টেলেন্টেড, আমার মেধা কম সহ অনেক সমস্যা। এসব ভ্রান্ত ধারণার কারণে অনেকেই নিজের সর্বোচ্চ টা দিয়ে কোন কিছু অর্জনের চেষ্টা করতে ভয় পায়। ফলে তারা তাদের যোগ্যতার অনেক কম পরিমাণ অর্জন নিয়ে খুশি থাকে। নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে কোনো কিছু অর্জনের চেষ্টা করতে হবে।
৮। নেতিবাচক মনোভাব রাখা
বর্তমানে সকলের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব বাসা বেধেছে। সমাজ ও পরিস্থিতি দেখে বড় হতে হতে সবাই ক্যারিয়ার নিয়ে নেতিবাচক মনোভাব রাখে। এই নেতিবাচকতার কারণে তারা ক্যারিয়ার নিয়ে দ্বিধায় থাকে। তারা ভাবে মেধা বা শ্রমে কোন কিছু পাওয়া যাবে না।সবকিছুর জন্য লবিং বা ক্ষমতা লাগে। এমন মনোভাব এর পাশাপাশি নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করাও ভুল।
৯। ভুল থেকে শিক্ষা না নেয়া
ক্যারিয়ার প্রস্তুতি হোক বা যেকোনো সময় প্রত্যেকেই কোনো না কোনো ভুল করে থাকে। ভুল করাই স্বাভাবিক। তবে ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া বা ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার মানসিকতা রাখা উচিত। ভুল থেকে শিক্ষা নিতে না পারলে ক্যারিয়ারে সফল হওয়া কঠিন হয়ে যাবে সবার জন্য।
১০। প্রয়োজনে অন্যের সাহায্য না নেয়া
ক্যারিয়ার গঠন বা অন্য সময়ে সকল কাজ একার পক্ষে করা সম্ভব না আবার একার পক্ষে সকল কিছু জানাও সম্ভব না। তাই ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময়ে অন্যের সাহায্য নিতে হয়। অনেকেই ক্যারিয়ার গঠনে অন্যের সাহায্য বা পরামর্শ নিতে চায় না। একাই সব করতে চায়। এটি অনেক বড় ভুল। এতে সময়ের অপচয় হয় এবং ক্যারিয়ার নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
১১। নিয়মিত নতুন কিছু না শেখা
আপনি কর্মজীবনে যে পেশাতেই থাকেন না কেন আপনি নিয়মিত নতুন নতুন জিনিস শেখার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন নতুন জিনিস পত্র আসছে সে সম্পর্কে জানতে হবে। নিজের কর্মের সাথে জড়িত যত আপডেট তা জানা ও শেখা খুবই দরকার। কেউ এ ব্যাপানে না জানলে পিছিয়ে যাবে। সব সময় তাই নতুন কিছুর শেখার মধ্যে দিয়ে সময় কাটাতে হবে।
নতুন কিছু শেখার সহজ কৌশল
- লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে এবং যা শিখতে চাই তা নির্ধারণ করতে হবে।
- প্রয়োজনীয়তা অনুভব না করলে যা শিখতে চাই তা শিখতে পারবো না । মাঝ পথে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবো।
- সফলদের পরামর্শ গ্রহণ করি না বা কার থেকে পরামর্শ নিব এমন দ্বিধায় থাকি। কোন কিছু শিখতে অবশ্যই সফলদের পরামর্শ নিতেই হবে।
১২। অতিরিক্ত অপশনে দিশেহারা হয়ে যাওয়া
বেশির ভাগ মানুষের চাকরি জীবনের শুরুতে অনেক বেশি অপশন থাকে। কেউ চাইলেই অনেক অপশন থেকে যেকোন একটি পেশা বেছে নিতে পারে। এখানেই বড় সমস্যা দেখা দেয়। যেহেতু তাদের কোন পুর্ব অভিজ্ঞতা নেই তাই তারা কোন পেশা নির্বাচন করবে ও কোন পেশা ভালো হবে তা নিয়ে দ্বিধায় থাকে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই দিশেহারা অবস্থায় মানুষ ভুল সিদ্ধান্ত নেয়। যা তার ক্যারিয়ারের সবথেকে বড় ভুল হয়ে থেকে যায়। এই বিষয়টাকে বলা হয় Shiny Object Syndrome. অর্থাৎ অনেক অপশনের মাঝে দিশেহারা অবস্থা এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারা।
যেভাবে এই ভুল গুলো সহজে এড়িয়ে যাওয়া যায়
১। বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে থাকা অবস্থাতেই সিনিয়র, আপনার পছন্দের পেশার বিভিন্ন মানুষের সাথে সম্পর্ক স্থাপন ও বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়াতে তাদের সাথে যুক্ত হয়ে যাওয়া।
২। নিয়মিত দরকারি স্কিল শেখার জন্য সময় ব্যয় করতে হবে। সফট স্কিলের সাথে বিভিন্ন ধরনের হার্ড স্কিল শিখতে হবে।
৩। ক্যারিয়ারের সব অবস্থাতেই স্বিদ্ধান্ত নিতে হয়। তাই শুরু থেকে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ কৌশল শেখার অভ্যাস করা।
৪। ক্যারিয়ারের যেকোন পর্যায়ে ছোট বড় সকল ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে এবং একই ভুল পুনরায় করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
চাকরির জন্য গুরুত্বপূর্ন সফট স্কি ল
চাকরি হোক বা যেকোন ধরনের ক্যারিয়ার বিভিন্ন দক্ষতা আপনাকে বাকিদের থেকে সব সময় সব ক্ষেত্রে এগিয়ে রাখবে। তবে বাংলাদেশের চিত্র একটু ভিন্ন। বাংলাদেশে প্রতি বছর কয়েক লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনা শেষ করে কর্মজীবন শুরু করলেই তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ন ও কাজের জন্য দরকারি স্কিল গুলো অনুপস্থিত। বাংলাদেশে স্কিল না শেক্ষা শিক্ষিত বেকারদের সব থেকে বড় ভুল। চাকরির জন্য প্রস্তুতি হিসেবে একজনের যেসব স্কিল থাকা জরুরী-
১। সমস্যা সমাধান (Problem Solving): চাকরি জীবনে আমাদের মুল কাজ বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সমাধান করা। তাই যেকোন পরিচিত/ অপরিচিত সমস্যা সমাধান করতে পারার সক্ষমতা চাকরি জীবনে অনেক বড় স্কিল।
২। টিম-ওয়ার্ক (Teamwork): সরকারি বেসরকারি সকল অফিসেই আমাদের নিয়মিত অনেক মানুষের সাথে কাজ করতে হয়। অনেকক্ষেত্রে আপনাকে সেই টিমের লিডার হিসাবেও কাজ করতে হতে পারে। সর্বপরি আপনাকে অনেক মানুষের সাথে মিলেমিশে কাজ করতে হবে। তাই টিমে কাজ করতে পারার দক্ষতা দরকারি গুণাবলি।
৩। নেতৃত্ব (Leadership): কর্মক্ষেত্রে আমাদের সফলতার অন্যতম হাতিয়ার নেতৃত্ব দেয়ার দক্ষতা। এই গুণ আমাদের বাকিদের থেকে সহজে আলাদা করে। হুট করে দু একদিনে এই গুণাবলি অর্জন করা সম্ভব না। তাই অনেক আগে থেকে বিভিন্ন জায়গায় সুযোগ পেলে বিভিন্ন কাজে নেতৃত্ব দিতে হবে।
৪। সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবন (Creativity and Innovation): বর্তমান সময়ে কাজের পরিবেশ আর ধরণে অনেক পরিবর্তন ও নতুনত্ব এসেছে। কাজ করতে গেলে এখন সবাইকে নিত্য নতুন সমস্যা মোকাবেলা করতে হয়। সনাতন পদ্ধতির সমাধান অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকর না তাই তো সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবন দক্ষতা সম্পন্ন ব্যক্তির চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৫। সময়ের ব্যবস্থাপনা (Time Management): সময় কে সঠিক ভাবে ব্যবহার করা, সময়ের কাজ সময়ে করা, নিজের ও অন্যদের সময়ের মূল্য দিতে পারা আপনাকে অন্যদের কাছে সম্মানের করে তুলতে। মানুষ আপনাকে সানন্দে গ্রহণ করবে। কর্ম ক্ষেত্রে আপনি সবার শ্রদ্ধার ও সম্মানের পাত্র হবেন।
৬। দায়িত্ব ও সততা (Responsibility and Honesty): দায়িত্বশীল মানুষকে সবাই পছন্দ করে। কর্মজীবন মানেই দায়িত্বে ভরপুর। যেসব মানুষ দায়িত্ব নিতে পারে ও সততার সাথে কোন ঝামেলা, ফাকিবাজি বা সমস্যা না করে যথাযথ ভাবে পালন করে সবাই তাদের পছন্দ ও ভরশা করে।
৭। প্রো-অ্যাকটিভিটি (Pro-Activity): চাকরি বা কর্মজীবনে আপনাকে প্রোঅ্যাকটিভ থাকতে হবে। যেকোন সময় আপনাকে যেকোন ধরনের কাজ করতে হতে পারে। কোন প্রকাশ সংকোচ ছাড়াই আপনাকে নতুন কাজকে সানন্দে গ্রহণ করে এগিয়ে যেতে হবে।
৮। তথ্য ও প্রযুক্তি (Information Technology): বর্তমান যুগ হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগ। এই যুগে তথ্য ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান না থাকলে আপনি অনেক পিছনে পড়তে হবে। প্রতিনিয়তে আপনাকে নতুন নতুন তথ্য ও প্রযুক্তির আপডেট নিতে হবে ও তা শিখতে হবে।
ক্যারিয়ার একটি বৃহৎ বিষয় বা অনেকগুলো অন্তঃসম্পর্কযুক্ত বিষয়ের সমষ্টি। সবকিছু মিলে একজনের ক্যারিয়ার গঠন হয়। ক্যারিয়ারের ছোট ভুলের জন্য অনেক বড় মাশুল দিতে হয়। তাই সকলের উচিত ক্যারিয়ারের ভুলগুলো জেনে তা সম্পর্কে সচেতন থেকে ক্যারিয়ার গঠন করা।