
বিসিএস (BCS) মানে হলো ম্যারাথন দৌড়, হুট করে দু একমাস পড়া করে বা পরিশ্রম করে বিসিএস পাশ করা সম্ভব না। বিসিএস এর মত লিখিত পরীক্ষার জন্য দরকার সুদূরপ্রসারী প্রস্তুতি। বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা মত শর্টকার্টে পড়াশোনা করে লিখিত পরীক্ষা পাশ যায় না। লিখিত পরীক্ষার বিসিএস পরীক্ষার মধ্যে কঠিন ধাপ, যেখানে কেবল জ্ঞান থাকলেই চলে না, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই জ্ঞানকে গুছিয়ে খাতায় উপস্থাপন করার দক্ষতা থাকতে হবে। বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন বর্তমানে এক বছরে একটি বিসিএস সম্পন্ন করার রোডম্যাপ নিয়ে কাজ করছে তাই বিসিএস প্রিলিমিনারি, লিখিত ও ভাইভা এত অল্প সময়ে শেষ করা অনেকের জন্য কঠিন।
প্রায় সময় দেখা যায় অনেক মেধাবী প্রার্থীও বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় ভালো স্কোর করতে পারে না? লিখিত পরীক্ষা খারাপ করার কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম কিছু কারণ হলো—পরীক্ষার হলে সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে না পারা। কোন প্রশ্নের উত্তরের জন্য কতটুকু সময় দিতে হবে, কিভাবে প্রশ্নের উত্তর করতে হবে, প্রশ্নের উপস্থাপন কৌশল ইত্যাদি বিষয় গুরুত্বপূর্ন।
তাই বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি বা পরীক্ষা দেয়ার আগে লিখিত পরীক্ষার জন্য বিজ্ঞানসম্মত ও কার্যকর টাইম ম্যানেজমেন্ট কৌশল নিয়ে জানতে হবে। লিখিত পরীক্ষার জন্য টাইম ম্যানেজমেন্টের একটি সুন্দর কৌশল শুধু ভালো নম্বর পেতে নয়, বরং বিসিএস এর মত স্বপ্ন পূরণের পথে এক ধাপ এগিয়ে রাখতে সাহায্য করবে। নয়তো বেশিরাভাগ চাকরী প্রার্থীর মত বারবার চাকরির পরীক্ষায় ব্যর্থ হতে হবে।
প্রশ্ন ও প্রশ্নের নম্বর অনুযায়ী সময় বরাদ্দ
বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় সকল প্রশ্ন এক রকম নয় আবার সব প্রশ্নের জন্য সমান নম্বর বরাদ্দ থাকে না। তাই প্রশ্নের নম্বর অনুযায়ী সময় বরাদ্দ করতে হবে। যে প্রশ্নে বেশি নাম্বার সে প্রশ্নের জন্য বেশি সময় বরাদ্দ। এছাড়া সব প্রশ্নের উত্তর আপনি পারবেন না। আপনার জন্য কঠিন হয় এমন প্রশ্নে কম সময় দিন। যে প্রশ্নের উত্তর আপনি ভালো পারেন ও সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন সেই প্রশ্নে সময় দিন। লিখিত পরীক্ষায় প্রতি বিষয়ে ১০০% মার্ক পেতে হবে আর পাবেন কোনটাই সম্ভব না। তাই কৌশলী হতে হবে ও গুরুত্বপূর্ন প্রশ্নে বেশি না হলেও পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে।
উত্তর লেখার নিজস্ব কৌশল
আপনার পরীক্ষার খাতায় উপস্থাপন কৌশল আপনাকে বাকিদের থেকে আলাদা করবে ও এগিয়ে রাখবে। লিখিত প্রস্তুতির শুরু থেকে নিজের উত্তর করার একটা কাঠামো বা ধরন ঠিক করতে হবে। সে জন্য বিগত সালের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন দেখে কি ধরনের প্রশ্ন আসে আর তার জন্য কেমন? কত বড় আর কি রকম? উত্তর করা যায় তা আগে থেকে ঠিক করতে হবে এবং নিয়মিত লেখার অভ্যাস করতে হবে।
হাতের লেখার গতি বাড়ানো
লিখিত পরীক্ষার জন্য যে সময় দেয়া হয় তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেকের কাছেই কম মনে হয়। তাছাড়া ভালো মার্ক পেতে ও বাকিদের থেকে ভালো লিখতে ও গুরুত্বপূর্ন তথ্য উপস্থাপন করতে সময় লাগে। তবে বরাদ্দকৃত সময়ের মধ্যে যথাসম্ভব ভালো ও সব লিখে শেষ করার জন্য হাতের লেখার গতি অনেক বেশি হতে হবে।
নিয়মিত ঘড়ি ধরে অনুশীলন
Practice Makes a man perfect. প্রকৃত লিখিত পরীক্ষায় সময়ের মধ্যে সব প্রশ্নের উত্তর করতে ও পর্যাপ্ত তথ্য সম্বলিত সুন্দর উপস্থাপনা সহ উত্তর করার জন্য বাসায় নিয়মিত অনুশীলনের বিকল্প নেই।
বিপিএসসি নির্দেশনা অনুসরন করা
বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা প্রলিমিনারি ও লিখিত উভয় পরীক্ষার আগে পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে থাকে। প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর আবশ্যক কাজ হলো পরীক্ষার আগে ঐ নির্দেশনে ভালো ভাবে পড়া। বিপিএসসি কর্তৃক প্রদত্ত ঐ নির্দেশনা প্রার্থীর জন্য রোডম্যাপ। পরীক্ষার্থীর উচিত বার বার নির্দেশনা পড়ে ভালো ভাবে সব বুঝে নেয়া।
মানসিক প্রস্তুতি
লিখিত পরীক্ষায় সব বিষয়ে আপনার পরীক্ষা ভালো হবে না। একটা পরীক্ষা খারাপ হলে হাল ছেড়ে দেয়া বা মনোবল ভেঙে পরা যাবে না। অনেক পরীক্ষার্থী থেকে পাওয়া যায় বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রথম বাংলা ও ইংরেজি পরীক্ষা দেয়ার পর অনেক পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিতেই আসেনা। বিগত সালের ক্যাডার ও নন-ক্যাডার মার্কশীট থেকে বোঝা যায় ১১০০/১৩০০ এর মধ্যে ৫০০+ মার্ক পেলেই ক্যাডার বা নন-ক্যাডার সম্ভাবনা আছে। তাই এক দুইটা পরীক্ষা খারাপ হলেই মনোবল হারানো যাবে না। তাই লিখিত পরীক্ষার্থীর মানসিক প্রস্তুতি রাখতে হবে।
ডাটা ও কোটেশন নোট করা
লিখিত পরীক্ষায় লেখার মান ভালো করতে ও উপস্থাপন কে সুন্দর করতে বিভিন্ন ধরনের ডাটা ও কোটেশন ব্যাবহার করতে হয়। সব প্রশ্নের জন্য আলাদা কোটেশন বা ডাটা মুখস্থ করা সম্ভব না। তাই প্রার্থীকে কৌশলী হতে হবে ও গুরুত্বপূর্ন কোটেশন ও ডাটা সংগ্রহ করে তার জন্য আলাদা নোট করতে হবে। চেষ্টা করতে হবে এমন ভাবে ডাটা পড়ার যাতে একই ডাটা বিভিন্ন প্রশ্নে ব্যবহার করা যায়।
বিষয়ভিত্তিক টাইম ম্যানেজমেন্ট কৌশল
লিখিত পরীক্ষায় একেক অনের টাইম ম্যানেজমেন্ট একেক রকম হবে। টাইম ম্যানেজমেন্ট এর সার্বজনীন কোন নিয়ম বা কৌশল নেই। প্রার্থীর নিজের অবস্থা আর প্রস্তুতির উপর তার টাইম ম্যানেজমেন্ট ভিন্ন হবে।
বাংলার জন্য যেভাবে সময় বরাদ্দ করা যায়
বিগত সালের বিসিএস বাংল প্রশ্ন বিশ্লেষন করলে প্রশ্নের ধরন ও মান বণ্টন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। প্রশ্ন ও প্রশ্নের জন্য বরাদ্দকৃত নাম্বারের ভিত্তিকে নিচের মত করে বাংলার জন্য সময় বরাদ্দ করা যায়।
১. ব্যাকরণ অংশের জন্য ৩৫-৪০ মিনিট
২. ভাব-সম্প্রসারণ লেখার জন্য ১৮-২০ মিনিট
৩. একটি সারাংশ/সারমর্ম লেখার জন্য সর্বোচ্চ ১০-১২মিনিট
৪. সাহিত্য অংশের প্রশ্নের উত্তরর জন্য ৪০-৪৫ মিনিট
৫. অনুবাদ করার জন্য ১২-১৩মিনিট
৬. কাল্পনিক সংলাপ লেখার জন্য ১৪-১৫মিনিট
৭. পত্র/দরখাস্ত লিখতে ১৪-১৫মিনিট
৮. গ্রন্থ সমালোচনা১৭-১৮মিনিট
৯. রচনা কাঠামো ঠিক করা ও লেখার জন্য ৫৫-৬০মিনিট
টিপস-
১। বাংলা প্রশ্নের উত্তর লেখার সময় অপ্রয়োজনীয় ভূমিকা, অহেতুক উত্তর বড় না করা উত্তম।
২। সাহিত্য অংশে যদি কোন প্রশ্নে লেখক সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন থাকে তাহলে ওই প্রশ্নের উত্তরে লেখক পরিচিতি বা লেখকের সম্পর্কে কিছু তথ্য দেয়া ভালো।
ইংরেজি
বাংলাদেশের বেশিরভাগ চাকরি প্রার্থীর কাছে ইংরেজি একটি ভয়ের নাম। ইংরেজির প্রস্তুতি ও সময়ের মধ্যে উত্তর করা তাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়। তবে ইংরেজিতে তুলনামূলক ভাবে নাম্বার পাওয়া যায়। তার জন্য দরকার পরিকল্পিত প্রস্তুতি ও উত্তরের জন্য সময় বণ্টন।
| প্রশ্নের ধরন | সময় বরাদ্দ |
| Thematic Questions |
৪৫-৫০ মিনিট |
| Grammar |
৩৫ মিনিট |
| Summary |
১৩-১৫ মিনিট |
| Letter to Editor |
১৭-১৮ মিনিট |
| Essay |
৫৫-৬০ মিনিট |
| English to Bangla Translation |
২০-২৫ মিনিট |
| Bangla to English Translation |
২০-২৫ মিনিট |
1. Thematic Questions এর জন্য ৪৫-৫০ মিনিট
2. Grammar- ৩৫ মিনিট
3. Summary- ১৩-১৫ মিনিট
4. Letter to Editor- ১৭-১৮ মিনিট
5. Essay- ৫৫-৬০ মিনিট
6. English to Bangla Translation- ২০-২৫ মিনিট
7. Bangla to English Translation - ২০-২৫ মিনিট
ইংরেজি অংশের লিখিত পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ন পরামর্শ
১। ইংরেজি Essay/ রচনা সবার শেষে লেখা ভালো কৌশল। এছাড়া ভালো করে খেয়াল রাখতে হবে প্রশ্নে একটা নাকি ২টা রচনা লিখতে বলেছে। প্রশ্ন অনুযায়ী সমর বরাদ্দ করতে হবে।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি
লিখিত পরীক্ষায় যে ২/৩ টা বিষয়ে লিখে শেষ কর আযায় না তারমধ্যে অন্যতম হলো বাংলাদেশ বিষয়াবলি। এই অংশে প্রশ্নের মার্কস অনুযায়ী সময় বণ্টন করা কঠিন। সুন্দর করে লেখার জন্য পর্যাপ্ত তথ্য থাকলেও সময়ের অভাবে তা হয় না। বাংলাদেশ বিষয়াবলিতে ভালো মার্ক পেতে তাই প্রশ্নের নাম্বার অনুযায়ী সময় দিতে হবে। এক্ষেত্রে কত মার্কের প্রশ্নের জন্য কত মিনিট সময় দিবেন তা প্রার্থীকে ঠিক করতে হবে। তবে অনেকেই পরামর্শ দিয়ে থাকে
(ক) ৫মার্কসের প্রশ্নের জন্য ৬মিনিট
(খ) ১০মার্কসের প্রশ্নের জন্য ১২ মিনিট
(গ) ২০ মার্কসের প্রশ্নের জন্য ২৪মিনিট
প্রতিটা পরীক্ষার প্রশ্নের মান বটন সমান হয় না। তাই প্রশ্ন পাওয়ার সাথে সাথে আপনাকে ঠিক করতে হবে কোন প্রশ্ন আগে উত্তর করবেন আর কোন প্রশ্নেরর জন্য কত সময় রাখবেন। এছাড়াও
১। প্রশ্নের উত্তরের প্রয়োজন অনুযায়ী ম্যাপ, ডাটা-উপাত্ত ও চার্ট দিতে হবে।
২। যে প্রশ্ন ভালো জানেন ও পর্যাপ্ত তথ্য উপাত্ত আছে সেই প্রশ্ন আগে লিখুন ও সেই প্রশ্নে বেশি সময় দিন।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী অংশে ৩ ধরনের প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হয়। তিন অংশ থেকে সমান মার্কের প্রশ্ন আসে না। তাই ৩ অংশের প্রশ্ন ও মার্ক অনুযারী সময় দিতে হবে। তবে নিচের মত করে সময় ভাগ করা যেতে পারে।
১। কনসেপচুয়াল অংশের জন্য -৭৫-৮০ মিনিট
২। ইম্পেরিকাল-প্রতিটি প্রশ্নের জন্য ২৩-২৪ মিনিট করে
৩। প্রবলেম সলভিং-২২-২৩ মিনিট
(ক) ইম্পেরিক্যাল অংশে যত প্রশ্ন আসে তা সবই সম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনা থেকে দেয়া থাকে। তাই প্রস্তুতির সময় সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ন ঘটনা জেনে রাখতে হবে। আন্তর্জাতিক অংশে ম্যাপ দিতে পারলে ভালো মার্ক পাওয়া যায়।
(খ) কনসেপচুয়াল অংশ গুলোতে প্রশ্ন রিপিট হয় এছাড়া এই অংশের জন্য বাজারের বিভিন্ন বইয়ে যে আলোচনা করা আছে সেগুলো ভালো করে পড়লেই ভালো করা যাবে।
গাণিতিক যুক্তি
প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হোক বা লিখিত গণিত অংশের সুবিধা হলো নিয়ম জানলে বা সমাধান করার অভ্যাস থাকলে অপরিচিত প্রশ্নের সমাধান করা যায়। বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় ২ ঘন্টায় ৫০ মার্কসের গণিত প্রশ্নের উত্তর করা যায়। তবে তার জন্য দরকার হবে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও নিয়মিত লিখে লিখে গণিত প্রশ্ন সমাধানের অভ্যাস।
১। কোন প্রশ্ন সমাধান করা না গেলে সেটা নিয়ে পরে থাকে যাবে না। পরের প্রশ্ন শুরু করতে হবে। যদি সময় থাকে তাহলে সবার শেষে আবার চেষ্টা করতে হবে।
২। গণিত প্রশ্ন সমাধানে কোন ভুল হলে হিজিবিজি করে কাটাকাটি না করে কলম দিয়ে এক টানে কেটে দিয়ে বাকি সমাধান করতে হবে।
৩। জ্যামিতির প্রশ্নের চিত্র গুলো কলম দিয়ে আকা যাবে না অবশ্যই পেন্সিল দিয়ে আঁকতে হবে।
মানসিক দক্ষতা
বিসিএস লিখিত মানসিক দক্ষতা পরীক্ষাইয় ৫০ মার্কসের প্রশ্ন থাকে যার উত্তর করার জন্য ১ ঘন্টা সময় বরাদ্দ থাকে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মত লিখিত পরীক্ষাতেও এমসিকিউ টাইপ প্রশ্ন আসে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চিত্র সংক্রান্ত, কাউন্টিং ফিগার বা জটিল ক্যালকুলেশন থাকলে এইগুলো স্কিপ করে প্রথমে সহজগুলো উত্তর করে ফেলতে হবে। শেষ দিকে সময় নিয়ে বাকি প্রশ্নের উত্তর করতে হবে। একদম যদি কমন না আসে বা কঠিন মনে হলে স্কিপ করতে হবে।
সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
লিখিত প্রার্থীর অনেকেই বিজ্ঞান বিভাগের পড়াশোনা করেনি এমন। তাই বিজ্ঞান বিষয় প্রস্তুতি নেয়া ও পরীক্ষার সব প্রশ্নের উত্তর লিখে শেষ করাই চ্যালেঞ্জিং হয়ে যায়। এছাড়াও বিজ্ঞানে অনেক ছোট ছোট প্রশ্ন থাকে। ফলে ১০ মার্কের জন্য একাধিক প্রশ্নের উত্তর করতে হয়।
যেহেতু লিখিত বিজ্ঞান, কম্পিউটার, ইলেক্ট্রিক্যাল এই ভাগ থেকে প্রশ্ন আসে তাই উত্তর করার সময় যে অংশে সক্ষমতা বেশি বা বেশি ভালো প্রস্তুতি সেই অংশ থেকে আগে উত্তর করা শুরু করতে হবে।
তবে ১০০ মার্কের পরীক্ষার জন্য যেভাবে সময় বণ্টন করা যায়-
(ক) বিজ্ঞান অংশের জন্য-১ ঘন্টা ৪০মিনিট
(খ) কম্পিউটার অংশের প্রশ্নের উত্তরে ৫০ থেকে ৫৫মিনিট
(গ) ইলেকট্রিক্যাল অংশের জন্য ২০-২৫মিনিট
বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় সফলতা শুধু জ্ঞান বা প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করে না—কার্যকর টাইম ম্যানেজমেন্টই আসল পার্থক্য গড়ে দেয়। এর বাইরে প্রশ্নের উত্তর লেখার কৌশল, গুরুত্বপূর্ন ও বেশি ভালো করা যাবে এমন প্রশ্ন বাছাই করা ও তার উত্তর আগে লিখতে পারা, প্রস্তুতির সময় নিয়মিত অনুশীলন করা ও পরীক্ষার্থীর আত্নবিশ্বাস লিখিত পরীক্ষার ভালো ফলাফল পেতে সাহায্য করে। সঠিক পরিকল্পনা ও ধৈর্য ধরে অনুশীলন করলে বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় সময়ের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে কাঙ্ক্ষিত সফলতা অর্জন করা সম্ভব।