
বিসিএস ভাইভা (মৌখিক পরীক্ষা) প্রস্তুতি একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়া। সাম্প্রতিক সময়ে বিসিএস ভাইভার নম্বর ২০০ মার্ক থেকে কমিয়ে ১০০ মার্ক করা হয়েছে। বিসিএস ক্যাডার হওয়ার ক্ষেত্রে ভাইভায় প্রাপ্ত নম্বর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অনেক সময় দেখা যায় লিখিত পরীক্ষায় ভালো নাম্বার পাওয়া সত্ত্বেও ভাইভা তে কম মার্ক পাওয়ার জন্য চুরান্ত তালিকা থেকে বাদ পরে। এছাড়া পছন্দ মত ক্যাডার পদে সুপারিশ পেতে ভাইভায় বেশি নম্বর পাওয়া আবদশ্যক।
৫০তম বিসিএস পরীক্ষা
বর্তমানে বিসিএস ভাইভা (মৌখিক) পরীক্ষা ১০০ নম্বরের মধ্যে হবে। পুর্বে বিসিএস ভাইভা পরীক্ষা ২০০ নম্বরের হতো। বাংলাদেশ কর্ম কমিশনের নতুন নিয়ম অনুযায়ীতম বিসিএস থেকে ভাইভা মার্কস ১০০।
বর্তমানে বিসিএস পরীক্ষার ধরণ অনুযায়ী মোট ভাইভা নম্বরে কিছু পরিবর্তন এসেছে। সাধারণত বিসিএস ভাইভার পাস নম্বর মোট মার্কস এর ৫০% সেই হিসেবে বর্তমানে পাশ মার্ক ৫০।
বিসিএস ভাইভা বা মৌখিক পরীক্ষা সাধারণত বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। পিএসসির প্রধান কার্যালয় ঢাকা আগারগাঁওয়ের শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ভাইভার তারিখ ও সময় পিএসসি-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ভাইভা পরীক্ষার কেন্দ্র পিএসসি ভবনেই হয় এবং প্রার্থীকে নির্ধারিত দিনে পিএসসি ভবনে উপস্থিত থেকে ভাইভাতে অংশগ্রহন করতে হয়। পিএসসি একই সময়ে একাধীক ভাইভা বোর্ড গঠন করে ভাইভা নিয়ে থাকে। পিএসসির সদস্য ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের নিতে এই ভাইভা বোর্ড গঠন করা হয়।
ভাইভা পরীক্ষায় অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে সঙ্গে পোশাকপরিচ্ছদও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিসিএস ভাইভা পরীক্ষার ছেলে ও মেয়েদের নির্দিষ্ট কিছু বিষয় বিবেচনা করা পোশাক নির্বাচন করতে হয়। বাংলাদেশের বহুল জনপ্রিয় পত্রিকা গুলো বিভিন্ন সময় বিসিএস সহ অন্যান্য ভাইভা পরীক্ষার আগে ভাইভা পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে পরামর্শ ও গাইডলাইন দিয়ে নিবন্ধ প্রকাশ করে। এছাড়া ফেসবুকে অনেক পেজ ও গ্রুপে এ ব্যাপারে বিভিন্ন জন পরামর্শ প্রধান করে থাকে। সার্বিক ভাবে সকল পরামর্শ বিবেচনায় ভাইভা বোর্ডের জন্য ছেলে ও মেয়েদের পোশাক বা ড্রেস কেমন হবে তা দেয়া হলো-
ছেলের পোশাক বা ড্রেস কোড
৫০তম বিসিএস ভাইভা পরীক্ষায় ছেলে প্রার্থী পোশাক নির্বাচনে যে বিষয় গুলো মাথায় রাখতে হবে-
মেয়ের পোশাক
বিসিএস ভাইভা পরীক্ষারে সাধারণত কোন সিলেবাস ও মানবন্টন দেয়া থাকে না। তাই নির্দিষ্ট কোন বিষ্য থেকে প্রশণ করা হবে তা নির্ধারিত না। বিসিএস ভাইভা পরীক্ষায় একজন প্রার্থীর মেধা, ব্যক্তিত্ব এবং তাৎক্ষণিক বুদ্ধিমত্তা যাচাই করা হয়।
ভাইভায় সাধারণত প্রার্থীর নিজের সম্পর্কে, একাডেমিক বিষয়ে জ্ঞান ও দক্ষতা, প্রার্থীর ক্যাডার চয়েস সহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলি থেকে প্রশ্ন করা হয়।
বিসিএস ভাইভার প্রশ্নের কোন নির্দিষ্ট গন্ডি না থাকলেও বিগত সময়ের ভাইভা বোর্ডের ভাইভা অভিজ্ঞতা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সফল বিসিএস প্রার্থী প্রদত্ত তথ্য থেকে বিসিএস ভাইভার প্রশ্নের কিছু কাঠামো পাওয়া যায়। মূলত এই কাঠামো অনুযায়ী নিয়মিত প্রশ্ন করা হয়
১. ব্যক্তিগত ও সাধারণ প্রশ্ন বিসিএস সকল ভাইভা পরীক্ষাতে প্রার্থীর নিজস্ব বিষয়ে বা প্রার্থীর সমপৃক্ত বিষয় জানার জন্য কিছু প্রশ্ন করা হয়।
২. ক্যাডার চয়েস ভিত্তিক প্রশ্ন প্রায় সকল ক্যাডার সহ মেন্টররা ভাইভা প্রার্থীকে তার ক্যাডার পছন্দক্রমের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ক্যাডার সম্পর্কে গভীর ধারণা থাকতে হবে।
৩. একাডেমিক বিষয় প্রার্থী যে বিষয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি করেছেন, সেই বিষয়ের মৌলিক ধারণা এবং তা কীভাবে ক্যাডার সার্ভিসে কাজে লাগবে তা জানতে চাওয়া হতে পারে। সেক্ষেত্রে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর বিষয়ের সাথে পাবলিক সার্ভিসের সম্পর্ক জানতে হবে।
বিসিএস ভাইভা প্রস্তুতির জন্য বাজারে বেশ কিছু জনপ্রিয় ও নির্ভরযোগ্য বই রয়েছে। প্রার্থীকে তার প্রস্তুতির ধরন এবং ক্যাডার পছন্দের ওপর ভিত্তি করে বই কিনতে হবে। লাইব্রেরি বা অনলাইলনে সহজেই ভাইভার বই পাওয়া যায়।
বর্তমানে লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর দ্রুত সময়ে ভাইভা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এই স্বল্প সময়ে এক বা একাধিক বই পরে ভাইভার জন্য প্রস্তুতি নেয়া সম্ভব না। তবে বিসিএস ভাইভা প্রস্তুতিতে এক বা একাধিক বই সংগ্রহে রাখা যেতে পারে যাতে
চাকরির ভাইভা মানেই প্রার্থীর কাছে এক ধরনের মানসিক চাপের নামান্তর। সীমিত সুযোগ, ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা আর নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে উদ্বেগ—সব মিলিয়ে ইন্টারভিউয়ের সময় আত্মবিশ্বাস ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই ভাইভা ভালো করার জন্য জেনে নেওয়া যাক ১০ টি কৌশল-
১। ভাইভা বোর্ডে মুখস্থ উত্তর না দিয়ে প্রশ্নের বিষয়বস্তুর মূল ধারণা ও যুক্তি পরিষ্কার করে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উত্তর দিতে হবে।
২। ভাইভা বোর্ডের চাপের মুহূর্তে আত্মবিশ্বাস ধরে রেখে, অপ্রয়োজনীয় চিন্তা বাদ দিয়ে মূল কাজের ওপর মনোযোগ দিতে হবে।
৩। ভাইভাতে জিজ্ঞেস করা সব প্রশ্নের উত্তর জানা থাকেনা। তাই কোন প্রশ্নের উত্তর জানা না থাকলে ভদ্রভাবে বলা উচিত 'এই অংশটি আমার পুরোপুরি পরিষ্কার নয়।'
৪। অপ্রয়োজনীয় কথা ও তথ্য বাদ দিয়ে সংক্ষিপ্ত ও পরিষ্কার উত্তর দেওয়া।
৫। প্রশ্নের উত্তরে সংখ্যা, তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যবহার করলে বক্তব্য আরও স্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য হয়।
৬। সব প্রশ্ন কমন আসবে না তবে কিছু প্রশ্নের উত্তর আগে থেকেই সাজিয়ে রাখুন। গুরুত্বপূর্ন ও কমন কিছু বিষয় নোট করে মুখস্থ করা বা রিভিশন দেয়া ভালো।
৭। যেহেতু ভাইভা তে বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই প্রশ্ন করা হয় তাই ইংরেজিতে কথা বলা বা উত্তর দেয়ার দক্ষতা বাড়ানো ও যে ভাষাতে প্রশ্ন করবে সেই ভাষাতেই উত্তর দেয়া।
৮। ভাইভা বোর্ডে তর্ক না করা। ভাইভা বোর্ড ‘সর্বজান্তা’ চায় না, চায় ‘বিনয়ী মার্জিত’ অফিসার। বাংলাদেশের বেশিরভাগ মেন্টর এমন পরামর্শ দিয়ে আসেন।
৯। ভাইভায় আই কন্টাক্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আই কন্টাক্ট প্রার্থীর আত্নবিশ্বাস প্রকাশ করে।
১০। ভাইভা বোর্ডে জাস্ট উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগানোর চেষ্টা করতে হবে।
বিসিএস ভাইভা বোর্ডে ইংরেজিতে উত্তর দেয়া জরুরি। তবে অনেক প্রার্থীদের মধ্যে ইংরেজিতে কথা বলা একটি ভীতির কারন। বিসিএস ভাইভা পাশ করে ক্যাডার হওয়ার জন্য ফ্লুয়েন্ট ভাবে ইংরেজি বলতে পারা দরকার। ভাইভা বোর্ডে পুরো সময় ইংরেজিতে কথা বলতে হবে এমন না। তবে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে ইংরেজি বলাটা প্রায় বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়ায়। যেমন
পররাষ্ট্র (Foreign Affairs) বা পুলিশ ক্যাডার যাদের প্রথম পছন্দ, তাদের কাছ থেকে বোর্ড ভালো ইংরেজি দক্ষতা আশা করে। তবে অনেক পররাষ্ট্র ক্যাডারে সুপারিশ প্রাপ্ত প্রার্থী বলেছেন তাদের ভাইভা বোর্ড বাংলাতে ছিল।

১. বিসিএস প্রবেশপত্র: প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় যে প্রবেশপত্র দিয়ে দেয়া হয়েছে সেটা।
২. মৌখিকের সাক্ষাত্কারপত্র: ভাইভার ডেট দিলে ওয়েবসাইট থেকে পিডিএফ আকারে ভাইভার জন্য আলাদা সাক্ষাত্কারপত্র পাওয়া যায়। ঐ সাক্ষাত্কারপত্র ডাউনলোড যথাযথ তথ্য দিয়ে পূরণ করে নিতে হবে।
৩. বিপিএসসি ফরম-১: প্রিলিমিনারি পরীক্ষার আবেদনের সময় এই ফর্ম পুরন করতে হয়। হারিয়ে গেলে সমস্যা নেই, ভাইভার আগে ওয়েবসাইট থেকে আবার ডাউনলোড করা যায়।
৪. বিপিএসসি ফরম-৩: এই লিংকে প্রবেশ করে বিপিএসসি ফরম-৩ পূরণ করে ২ কপি প্রিন্ট করে নেবেন।
৫. পাসপোর্ট সাইজ ছবি: ৩ কপি ছবির পেছনে প্রার্থীর নাম ও স্বাক্ষর লিখে গেজেটেড অফিসার দ্বারা সত্যায়িত করে নিতে হবে।
৬. সনদপত্র: শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র সাথে রাখতে হবে- এসএসসি, এইচএসসি, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সার্টিফিকেট ও মার্কশীট।
৭. চিকিৎসকের প্রত্যয়নপত্র: ওজন (কেজি), উচ্চতা (সেমি) ও বুকের মাপ (সেমি) এর প্রত্যয়নপত্র।
৮. NOC (অনাপত্তিপত্র): যদি ভাইভা প্রার্থী চাকরিজীবী হয় তাহলে পিএসসির নিজস্ব ফরম্যাটে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত NOC (অনাপত্তিপত্র) ভাইভার দিন জমা দিতে হবে।
৯. জাতীয় পরিচয়পত্র: জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হবে ও মুল পরিচয়পত্র সাথে রাখতে হবে।
১০. নাগরিকত্ব সনদ: পৌরসভা/ইউনিয়ন কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হবে।
১১. প্রাক্–চাকরি বৃত্তান্ত যাচাই ফরম/পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম: ওয়েবসাইট থেকে পিডিএফ আকারে তিন সেট প্রাক্–চাকরি বৃত্তান্ত যাচাই ফরম/পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম ডাউনলোডের পর পূরণ করে ভাইভা পরীক্ষার দিন জমা দিতে হবে।
১. বিসিএস ভাইভায় কী ধরনের প্রশ্ন বেশি আসে?
ভাইভাতে সাধারণত প্রার্থীর নিজের জেলা, অনার্স পর্যায়ে পঠিত বিষয়, ক্যাডার চয়েস এবং সাম্প্রতিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ের ওপর প্রশ্ন বেশি হয়। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের সংবিধান সম্পর্কিত মৌলিক প্রশ্নগুলো সব চাকরির পরীক্ষার মৌখিক পরীক্ষার্থীর জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।
২. ভাইভায় কত নম্বর পেলে ক্যাডার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি?
বিসিএস ভাইভা বর্তমানে ১০০ নম্বরে হবে। তাই আগের মত ২০০ নাম্বারের মধ্যে সাধারণত ক্যাডার পেতে ১৪০ থেকে ১৫০ এর উপরে নম্বর পেতে হবে এমননা। লিখিত পরীক্ষায় ভালো নাম্বার থাকলে ভাইভাতে গড়পড়তা নম্বর পেয়েও মেধাতালিকায় ভাল অবস্থান ও পছন্দের ক্যাডার পদে সুপারিশ পাওয়া সম্ভব।
৩. ইংরেজিতে কথা না বললে কি কোনো সমস্যা হবে?
বোর্ড যদি ইংরেজিতে প্রশ্ন করে, তবে ইংরেজিতেই উত্তর দেওয়া শ্রেয়। তবে আপনি যদি ইংরেজিতে সাবলীল না হন, তবে অনুমতি নিয়ে বাংলায় উত্তর দিতে পারেন।
৪. মক ভাইভা (Mock Viva) কি সত্যিই কাজে লাগে?
মক ভাইভা জড়তা কাটাতে এবং নিজের ভুলগুলো বুঝতে দারুণ সাহায্য করে। শেষ সময়ে নিজের অবস্থান যাচাইকরা যায়। মক ভাইভা বোর্ডের সামনে কথা বলার সাহস বাড়ায় ও আত্নবিশ্বাসী করে।
৫. ভাইভা বোর্ড কি খুব কঠিন হয়?
বোর্ড সাধারণত পরীক্ষার্থীর ব্যক্তিত্ব এবং মানসিক দৃঢ়তা যাচাই করে। কখনও কখনও পরিস্থিতি কিছুটা গম্ভীর হতে পারে, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে বোর্ড মেম্বাররা সহযোগিতামূলক আচরণ করেন।
৬. ভাইভার আগে কতদিন প্রস্তুতি নেওয়া উচিত?
লিখিত পরীক্ষা বা লিখিত পরীক্ষার ফলাফল দেওয়ার পর থেকে নিবিড় প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। প্রতিদিন সমসাময়িক খবরের কাগজ এবং মৌলিক বিষয়গুলো ঝালিয়ে নেওয়া দরকার।
৭. কোন বই পড়লে ভাইভায় বেশি কাজে লাগে?
নির্দিষ্ট কোনো একটি বই পড়লে ভাইভা ভালো হবে না। তবে বাজারের ভালো মানের একটি ভাইভা গাইড বই ভাইভা প্রস্তুতির গাইডলাইন হিসেবে কার্যকর সমাধান। তবে নিয়মিত সংবাদপত্র পড়া সবচেয়ে বেশি কার্যকর।
৮. ভাইভায় ভুল উত্তর দিলে কি সঙ্গে সঙ্গে বাদ?
ভাইভায় এক বা একাধিক প্রশ্নের ভুল উত্তর দিলে সঙ্গে সঙ্গে ভাইভা থেকে বাদ দেয়ার কোণ নিয়ম নেই। কোনো প্রশ্নের উত্তর না জানা থাকলে বিনয়ের সাথে তা স্বীকার করতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় ভালো মার্ক থাকলে ভাইভা তুলনামূলক খারাপ হলেও মেধাতালিকায় ভালো অবস্থান অর্জন সম্ভব।